পাতা

একটি চাপা পড়া ইতিহাস খোঁজার প্রত্যয়ে

ভাবছি কি নিয়ে লিখি!

রাজনীতির শরীর থেকে পলেস্তারা খশে কঙ্কাল বেরিয়ে গেছে,
তিরিশ লাখ কংকালের গায়ে সংবিধানের পলেস্তারা আর জোড় লাগছে না।
রক্ত মাংশে যেটুকু বালি সিমেন্টের কারুকাজ ছিল সেটিও ঘশে তুলেছে দুর্বৃত্ত-রা,
নগ্ন বাংলাদেশের আব্রু নিয়ে কানামাছি খেলে স্বজাত শকুন।

না, লিখে আর কাজ নেই!

লিখতে গেলেই চোখে ভাসে দলীয় মেসো আর নির্দলীয় পিসে,
স্বজনরা সব মেথরের মতো ময়লা ঘাঁটে দিনরাত,
বলে, কে যেন হারিয়েছে ময়লার স্তুপে একখণ্ড সোনালি ইতিহাস!
-ওটা খুজতেই হবে।
দিনশেষে তাই দুর্গন্ধ-পুঁতিময় শরীর আর আক্ষেপ নিয়ে ঘরে ফেরা,
সারা রাত জেগে আবার সেই এক খণ্ড সোনালি ইতিহাস খোঁজার স্বপ্ন!

কি হবে এসব লিখে?

কেউ পায়নি কিম্বা কেউ পাবে না।
লোভে পড়ে যারা মাখছে গায়ে দিনান্তের স্বপ্ন আর সমৃদ্ধ অতীতের স্মৃতি,
তারা নিরাশ হবেই, হবেই এ কারনে যে তারা ইতিহাস পড়ে নি।

আজো ছড়িয়ে ছিটিয়ে কঙ্কাল।
সে কংকালের উপরে চড়ে ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই চলছে, এ আমার ভাইয়ের কঙ্কাল।
লড়াই শেষে দুজনেই দেখবে তাদের পায়ের তলায় পিষ্ট তাদের ভাইয়ের কঙ্কাল,
তবুও মালিকানা চাই সে কংকালের, প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধ হবে!

আমাদের গলাবাজিতে চাপা পড়ে যায় আমার ধর্ষিতা মায়ের ক্রন্দন,
আমাদের চাপাবাজিতে মুখ থুবড়ে বিলাপ করে আমার বোনের সম্ভ্রম,
তবুও আমাদের চাপাচাপি চলে-
এ ওর ঘাড়ে, ও এর ঘাড়ে!
আমার মা ক্রন্দন ভুলে হাপুশ নয়নে চেয়ে দেখে তার সন্তানের লড়াই,
সম্ভ্রমহারা বোনেরা বিলাপ ভুলে দেখে ভাইদের নির্লজ্জ আত্মকলহ।

কে লিখতে বলেছে এসব?
এসব ছাইপাঁশ লিখে কাজ নেই, এসো অস্ত্র ধর, এসো লড়াই করি।

বাকিটা পড়ুন 0

কথা রাখে নি

বর্ষার আকাশ আমায় কিছুই দেয় নি
দিয়েছে শুধু শাদা মেঘ ও তার উড়াউড়ি। 
যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে বর্ষা আসে
প্রতিশ্রুতির কিছুই রাখে নি সে।

কথা ছিল, আষাঢ়ের মেঘ, সিক্ত কদম
আমাকে সাজিয়ে দেবে কেয়ার সুঘ্রাণে,
আমাদের ভিজিয়ে দেবে সোৎসাহে।

বাকিটা পড়ুন 0

কবি ও পাদ্রী

আমার চোখে
পাদ্রী ও কবি- দুজনই সমান,
দুজনই মহান, সত্য বাহক।

তবে, পাদ্রী যখন
সেবাদাসীর সতী পর্দা ফাটায়
কবির কলম তখন জেগে ওঠে
কালি নয় যেন রুধির ধারা ছোটে।

ধর্ম মহান, সত্য- সে দ্বিধাহীন
ধার্মিক যত প্রায়ই …

বাকিটা পড়ুন 0

এ আসমান জমিনে

ধরিত্রীর ভুতল থেকে ঐ নীহারিকা
বনানী পুষ্পকানন আরো লতা পল্লব;
এ আসমান জমিনে যত কিছু আঁকা
তোমারই;তোমারই জপে মত্ত সব।

ধূলিকণা,ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র এ পিপীলিকা
সকল সৃষ্টি ধরায় তোমারই অনুগত;
চিন্তিত,যেন মৌন দাঁড়িয়ে তরু শাখা
তব বন্দনা গায় নীরবে …

বাকিটা পড়ুন 0

ক্ষোভ ও আমার দেশ

নানান প্রকার ক্ষোভ যে আছে, আছে নানান ধরণ
কোন ক্ষোভে হয় যুগের সৃষ্টি, কোন ক্ষোভে হয় মরণ।
ক্ষোভের ফলেই যুদ্ধ করে পেয়েছি স্বাধীন দেশ
অন্য ক্ষোভে দেশটা এখন হচ্ছে আবার শেষ।

এবারের ক্ষোভ ক্ষমতার লোভ সবাই তাতো জানে
অনেক সময় প্রতিবাদের …

বাকিটা পড়ুন 0

জীবন কাব্য

বেঁচে থাকাই সুখ বলে আমি আছি সুখে
দু:খটাকে ঢেকে রাখি হাসি মাখা মুখে
বাহারি রঙের ভীড়ে আমি একা কালো
এ জীবনে দু:খকে বেসেছি যে ভালো
কত চাঁদ এলো গেলো আমি অমাতেই
জোছনা তোমার তাই চাঁদ তোমাতেই।

এতকাল ধরে তুমি আছো …

বাকিটা পড়ুন 0

অপূর্ব ভালবাসা

তখন আমার কতইবা বয়স, বড়জোর বার কিবা তের। সবেমাত্র ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছি। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে সহপাঠি যাদের পেলাম তাদের মধ্যে আমার মামার শালক ‘শান্ত’ অন্যতম। আমি মাহারা। আমার জন্মের পর মা যখন পরলোক চলে গেলেন তখন থেকে আমি মামার বাড়িতেই মানুষ। মামার শ্বশুরবাড়ির দূরত্বটা …

বাকিটা পড়ুন 0

স্মৃতি বিস্মৃতি

কি এখন, ভুলে গেছো সেই স্মৃতি
সেই শুভক্ষণ, প্রথম মিলন দেখা,
রাগ-অনুরাগের আমার প্রেম-প্রীতি
আরো যে অটুট স্মৃতির খাতায় লেখা।

সে দিন খুব বৃষ্টি ছিল আষাঢ়ের দিন
ক্লান্তিহীন বৃষ্টির ঘনঘোর নীলিমা,
দু’জন দু’জনাতে হয়েছিলাম লীন
সেদিনের সে প্রেম, হারিয়েছিল …

বাকিটা পড়ুন 0

লাল-সবুজের আবেগ

একটি পতাকা, শুধুই কাপড় নয়

এ যে আমার, বাংলাদেশেরই প্রতীক,
এই পতাকা যে, রাখে আমায় নিভয়
তার কারণেই, খুঁজে পাই আমি দিক।

লাল-সবুজেরই, মায়াবী উচছ্বাসে
গেয়ে যাই আমি, সোনার বাংলার গান
আমি হাসলে, পতাকাও আমার হাসে
তারই গানে যে, আমি …

বাকিটা পড়ুন 0

মানুষ

হুটহাট দুচার’টে খুচরো পয়সা ছিটিয়ে দিয়ে ভাবি আমিই মানুষ,
হাত পেতে থাকা মানুষগুলোর গা বাঁচিয়ে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে,
উঁকিঝুঁকি মারা কিছু মানুষের নাকের সামনে দিয়ে যখন আমার ঐ চারটে পয়সা
উড়ে গিয়ে ভিখিরিটার থালায় গিয়ে ঝনঝন করে ওঠে,
বিশ্বাস …

বাকিটা পড়ুন 0