<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
  <channel>
    <title>সাহিত্য.কম - বাংলা সাহিত্যের অনলাইন পত্রিকা</title>
    <link>https://sahityo.com</link>
    <description>বাংলা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ও সাহিত্য চর্চার অনলাইন মঞ্চ</description>
    <language>bn</language>
    <lastBuildDate>Sat, 13 Jun 2026 08:36:01 GMT</lastBuildDate>
    <atom:link href="https://sahityo.com/feed.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
    <item>
      <title>ভালোবাসা পরিণতি</title>
      <link>https://sahityo.com/0.outp</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.outp</guid>
      <description>দীর্ঘ এক অভিজ্ঞানহীন জীবন, যেখানে ভালোবাসা আর সম্পর্কের সংরক্ষণ নেই বললে চলে। শহরের ব্যস্ততা, সঠিক সময়ের অভাবে, অদৃশ্য হাতে সেঁটে রাখা সমস্ত প্রতিশ্রুতি যেন একে একে মুছে যাচ্ছে। কল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে ঘূর্ণায়মান একটি সূর্য্যদীপ্ত প্রভাতে, সারা উঠে দাঁড়াল তার বিছানা থেকে।সারা একটি বিবাহিত মিলেনিয়াল। তার জীবনবোধের ওপর চাপিয়ে রাখা সমাজের নানান গোঁড়ামি তাকে কখনোই প্রবাহিত হতে দেয়নি। অফিসের কাজ, সাংসারিক ঝামেলা, আবার সামাজিক দায়বদ্ধতা— এই ত্রিশাল চক্রে ঘুরতে ঘুরতে সে অনেকটা ক্লান্ত। তবে, নীরবতা</description>
      <dc:creator>তন্ময় </dc:creator>
      <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 11:58:52 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>ছাইভস্মের মানচিত্র: শান্তি ও যুদ্ধের দ্বৈরথ</title>
      <link>https://sahityo.com/0.g352</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.g352</guid>
      <description>পৃথিবীর সমস্ত ভাষার শব্দকোষে যদি সবচেয়ে পবিত্র ও সুন্দর কোনো শব্দ থাকে, তবে তা হলো — ‘শান্তি’। এটি একটি চিরকালীন এবং সর্বকল্যাণকারী শব্দ, যা প্রতিটি জীবের অন্তিম আকাঙ্ক্ষা। প্রায় পাঁচ হাজার বছর ধরে ভারতীয় জনমানসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে যজুর্বেদের সেই অমোঘ শান্তি পাঠ: ওঁ দ্যৌঃ শান্তীরন্তরিক্ষং শান্তি, পৃথিবী শান্তিরাপাঃ শান্তিরোষধয়ঃ শান্তিঃ। বনস্পতয়ঃ শান্তির্বিশ্বে দেবাঃ শান্তির্ভ্রমহ্ম শান্তিঃ, সর্ব শান্তিঃ, শান্তিরেভ শান্তিঃ, সা মা শান্তিরেধি।। ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।।— এই প্রার্থনা কেবল স্বর্</description>
      <dc:creator>Amrita Bera</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 18 Apr 2026 07:34:08 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>দ্বিধা-দ্বন্দ্বের ভিড়ে </title>
      <link>https://sahityo.com/0.ijry</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.ijry</guid>
      <description>জীবনের পথে হারিয়ে গেছি দ্বিধা-দ্বন্দ্বের ভিড়ে,কোন পথে আজ পা বাড়াবোভাবছি বসে নীড়ে।ঘুম আসে না নয়ন জুড়েঅশ্রুর ফোঁটা পড়ে,অশ্রুর জলে ভেসে যাচ্ছি অজানারই তোড়ে।কূল-কিনারা হারিয়ে আছিদ্বিধার জালে ফেসে,ঈশ্বর আমার সহায় থেকোউদ্ধার করো এসে।আমার জন্য ঢাল হয়ে যেওপাশে থেকো আমার, সঠিক পথে সফল হবোসঙ্গ থাকলে তোমার।দ্বিধার জাল ছিড়ে ফেলবোভেঙে দিবো বাদ, এভাবেই তো পেয়ে যাবোসফলতারই স্বাদ।</description>
      <dc:creator>Master Tomij Uddin</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 10 Apr 2026 15:08:13 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>বাতাসে লেগেছে নির্বাচনের গন্ধ</title>
      <link>https://sahityo.com/0.zjgi</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.zjgi</guid>
      <description>বাতাসে লেগেছে নির্বাচনের গন্ধ, রঞ্জিত পলাশ ফুলের সাজে, প্রান্তরে প্রান্তরে, উঠেছে নতুন ধ্বনি, নগ্ন স্বপ্নের রঙে আঁকা ভ্রান্তি।ধুলো কাঁপছে পা ঠেকাতে, সব দলের মাৎতৌ, মঞ্চে সাজে নাচতে। কিছু মুখে হাসি, কিছু মুখে হতাশা, গলার আওয়াজে মিশেছে আশা-শ্বাসা।শুভ্র শাঁখ বাজিয়ে এসেছে রাম, রামনবমীর মেলায়, অঙ্কনে গড়া স্বপ্নের বাম। হৃদয়ে লুকানো গাথা, উঠছে সুরে, কবে আসবে শান্তি, কবে গেয়ে উঠবো সুরে।নির্বাচনের প্রহর, কাঁপছে শহরের বুকে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, হাঁটছে এক পায়ে, মিছিলে মিছিলে, ধরেছে হাতের হাত, নবরূপে, নতুনের</description>
      <dc:creator>তন্ময় </dc:creator>
      <pubDate>Mon, 30 Mar 2026 12:42:16 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>কল্যাণীয়েসু</title>
      <link>https://sahityo.com/0.8rke</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.8rke</guid>
      <description>কল্পনা করেছি কামনা করি,কঙ্কনের কল্পসুত্রে কব্জাকরে কবন্ধ করবে।কুঞ্চিত কথামালা কুপ্তভাবে কুক্ষিত।কওয়া কওয়া করে কহিতে কহিতে কব,কতোদিন কেটে কুক্ষিত করিলাম।কমলিনী, কহিতে কি করব? কল্যাণীয়েসু, কমনে কবিগান কবোষ্ণ?কম্পন করে করুণ কামনা করি করুণা।করাঘাত করে করুণিমা করেছ।কল্পলোকে কল্পলতা কম্পন করে কল্যাণকর।কলেবরে কলুষ কর্ষিত।কষ্ট করে কষ্মিনকালে কহরে কসুর।করিডোরে করজোরে ক্যানো কর কান্দন?কলগুঞ্জন কলবের কর্ণগুহরে কদাকার।কসুর করি কর্ষণে।কাকতালীয় কাতরানো কাঠামো কঠিন।কানন, কান্তির ক্লান্তির কর্মাদনে কবাব করে,কাব</description>
      <dc:creator>মশিউর রহমান ক্যাপটেন</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 13:16:23 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শিক্ষা দিয়ে জীবন গড়ুন</title>
      <link>https://sahityo.com/0.nvsu</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.nvsu</guid>
      <description>শিক্ষা ছাড়া জীবন কালোশিক্ষা হলো চোঁখের আলো।শিক্ষার প্রদীপ জ্বালিয়ে দিইযত পাড়ি শিক্ষা নিই।দেশের সেবা সবাই করিশিক্ষা ছড়াই বাড়ি বাড়ি।শিক্ষার কোনো বয়স নাইশিক্ষা নিতে এগিয়ে যাই।শিক্ষা হলো গুপ্তধনশিক্ষা নিবো সারাক্ষণ।শিক্ষা হলো স্মৃতি বিদ্যাশিক্ষা হলো ওমর যোদ্ধা।শিক্ষা করি মনযোগ দিয়েশিক্ষিত হই শিক্ষা নিয়ে।শিক্ষা হাত বাড়িয়ে নেনশিক্ষায় শিক্ষিত হতে দেনশিক্ষার আলো সদাই জ্বালোশিক্ষা দিলে জাতির ভালো।শিক্ষা করুন শিক্ষা করুনশিক্ষা দিয়ে জীবন গড়ুন।</description>
      <dc:creator> Koyes Ahmed</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 13:12:02 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় কি পৃথিবী? - Part IV</title>
      <link>https://sahityo.com/0.f5wp</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.f5wp</guid>
      <description>আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব:একবিংশ শতাব্দীতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের গুরুত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারত শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই নয়, বরং বৈশ্বিক রাজনীতিতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে ভারত এখন আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।¹ভারতের ভৌগোলিক অবস্থানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হওয়ার ফলে ভারত এ</description>
      <dc:creator>অরুণ চক্রবর্তী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:58:46 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় কি পৃথিবী? - Part III</title>
      <link>https://sahityo.com/0.n815</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.n815</guid>
      <description>প্রক্সি যুদ্ধ: আধুনিক সংঘাতের নতুন রূপআধুনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সরাসরি বৃহৎ শক্তির যুদ্ধ ক্রমশ বিরল হয়ে উঠেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল পারমাণবিক অস্ত্রের উপস্থিতি। পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক শক্তি এতই বিপুল যে বড় শক্তিগুলি সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে সাধারণত অনিচ্ছুক।¹এই বাস্তবতার ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি নতুন ধরণের সংঘাতের জন্ম হয়েছে, যাকে বলা হয় প্রক্সি যুদ্ধ (Proxy War)। প্রক্সি যুদ্ধ হল এমন এক ধরনের সংঘাত যেখানে বড় শক্তিগুলি সরাসরি যুদ্ধ না করে অন্য দেশ বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে ন</description>
      <dc:creator>অরুণ চক্রবর্তী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:58:07 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় কি পৃথিবী? - Part II</title>
      <link>https://sahityo.com/0.jnnz</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.jnnz</guid>
      <description>ভেনেজুয়েলার তেল রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক শক্তির সংঘাত:লাতিন আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে মূলত তার বিপুল জ্বালানি সম্পদের কারণে। বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুদের একটি বড় অংশ ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত। এই সম্পদ একদিকে দেশটিকে বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত করেছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শক্তির প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রেও রূপান্তরিত করেছে।¹বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ভেনেজুয়েলা তেল রপ্তানিকারক দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল। কিন্তু তেল</description>
      <dc:creator>অরুণ চক্রবর্তী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:57:36 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় কি পৃথিবী? - Part I</title>
      <link>https://sahityo.com/0.sdjg</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.sdjg</guid>
      <description>একবিংশ শতাব্দীর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্রমশ জটিল এবং অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। শীতল যুদ্ধের অবসানের পর বিশ্বব্যবস্থা একটি স্বল্পকালীন একমেরু কাঠামোর দিকে এগিয়ে যায়, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।¹ কিন্তু গত দুই দশকে এই একমেরু কাঠামো ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে একটি বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থায় রূপ নিতে শুরু করেছে। চীন, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারতের মতো শক্তির উত্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য সৃষ্টি করেছে।এই পরিবর্তনের মধ্যেই বিভিন্ন আঞ্চলিক </description>
      <dc:creator>অরুণ চক্রবর্তী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:55:10 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই: মানবমুক্তির পথে ভারতীয় দর্শনের আহ্বান </title>
      <link>https://sahityo.com/0.w2p9</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.w2p9</guid>
      <description>মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসে যুদ্ধ ও শান্তি—এই দুই বিপরীত শক্তির দ্বন্দ্ব বারবার দেখা গেছে। সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ জ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্প, সাহিত্য ও সমাজব্যবস্থায় অসাধারণ উন্নতি করেছে; কিন্তু একইসঙ্গে যুদ্ধ, দখলদারিত্ব, ক্ষমতার প্রতিযোগিতা এবং সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসও মানবসমাজকে বারবার রক্তাক্ত করেছে। মানবজাতি একদিকে যেমন চাঁদে পা রেখেছে, অন্যদিকে তেমনি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে পৃথিবী ধ্বংস করার ক্ষমতাও অর্জন করেছে। এই দ্বৈততার মধ্যেই আধুনিক সভ্যতার গভীর সংকট নিহিত।বিশ শতকের দুটি বিশ্বযুদ</description>
      <dc:creator>অরুণ চক্রবর্তী</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 22 Mar 2026 09:53:12 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title> নিয়মের খাঁচায় রক্তমাংসের পাখি</title>
      <link>https://sahityo.com/0.ljm5</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0.ljm5</guid>
      <description>শৈশবের সকাল ছিলো অনুশাসনের ছায়ায় ঘেরা,যেখানে স্বপ্ন মানেই নিষিদ্ধ উদ্যম—খেলনার হাসিও ছাঁটা হতো সময়ের কাঁচি দিয়ে,অভিমান জমতো শব্দহীন চিলেকোঠায়।
পিতার পায়ে ছিলো নীতির শিকল,মায়ের চোখে নীরব শাসন।জীবন যেন ক্যালেন্ডারের পাতায় ছাপা—কোন ঘরে কি লিখবে, আগে থেকেই নির্ধারিত।
কৈশোর এলো নিঃশব্দ বিদ্রোহের নৌকা বয়ে,মন তখন মেঘে মেঘে প্রশ্ন আঁকে—&quot;আমি কে? কেন এমন ক্লান্ত অথচ জীবন্ত?&quot;কিন্তু উত্তরগুলো শাসনের পর্দায় ঢাকা,প্রশ্ন মানেই নাকি ‘অভদ্রতা’।
বন্ধু মানে পালিয়ে যাওয়া সাহস,ভালোবাসা মানেই পাপের ছায়াপ</description>
      <dc:creator>Intesar Azam </dc:creator>
      <pubDate>Mon, 04 Aug 2025 13:59:34 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তোমার আগমনী</title>
      <link>https://sahityo.com/67yubttlbhn</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/67yubttlbhn</guid>
      <description>তোমার আগমনী !!

মোর যত ভালবাসা তবু তোমারই লাগি হে সন্ন্যাসীনী,

জানি নাহি ফিরে পাব, তবু সুখ খোজে মরি বেদনার মাঝি।

তুমি দিয়েছিলে যে নীল গোলাপ, আমি সদা জাগ্রত রই তাহারি সুভাসে

কত সুখ কত সূধা ভাসিয়া পড়ে তব নেত্রকোণে।

জানি জানি ফিরবে না কভো তবু জেগে রই চাহিয়া তোমারই পাণে,

কন্ঠসুরে তুমি ভাসিয়াছো আমায় যতখানি, 

বৃক্ষরাজি জলতলে যত কলকলানী,

আমি বিমোহিত হয়ে শুনি তোমার পদধ্বনি হে সন্ন্যাসীনী,

তবু দেখিতে নাহি পাই তোমারি আগমনী।

সময় যে বহিয়া যায় নিরবধী নির্জনে -

অশ্রুধারা বহে মম বহ্নিচোখে।

তুমি কি শ</description>
      <dc:creator>Sanjan</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 29 Sep 2023 05:07:14 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>নারীজাগরণ</title>
      <link>https://sahityo.com/rm2wvv8n2o</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/rm2wvv8n2o</guid>
      <description>ভয় নেই আর ঘটে যাওয়ার অঘটন,
বিশ্বজুড়ে উদ্ভাসিত হয়েছে নারীজাগরণ।
এড়িয়ে চলো, দাবিয়ে রেখো ক্যাক্টাস্ বনভূমি,
মনে রেখো নারী বিজয়ীনী তুমি।
দিয়েছো কতো না প্রতিদান,
ভূলে গেছে নরপশু সেই বেইমান।
প্রতিনিয়ত হেনেছে তারা অশ্লীলতার থাবা,
দেখিয়ে দাও নারী তুমিও খেলতে পারো দাবা।
জাগো নারী, জাগো নারী এবার,
প্রতিশোধের দূর্গ গড়ে তোলো ঘরে ঘরে সবার।

-----নুশরাত জাহান</description>
      <dc:creator>Shakil Babu</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 02 Sep 2023 16:14:49 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>প্রাইভেসি</title>
      <link>https://sahityo.com/c9reyrc00i</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/c9reyrc00i</guid>
      <description>বছর কয়েক আগে পথেই প্রথম দেখেছি পাখিটাকে,
চিনিনা, চলন দেখে লেজ টুং টুং নাম দিই তাকে।
আজকাল বাগানে ওদের দেখা পাই হামেশাই,
টুনটুনির চেয়েও জোর গলায় ওরা গান গায়।
দিনের বেলা ছাতারেদের গল্প স্বল্প তো চলেই,
সাতভাইদেরকেই বোধহয় খঞ্জন বলে, ভাবি তাই।
দোয়েল ও ফিঙেদের গান শোনা যায় সকাল-সন্ধ্যায়।
কিন্তু হঠাৎ, অবাক কান্ড কাল রাত ঠিক দশটায়,
আলোতে ভাসছে গাছপালা ফুটফুটে জোছনায় ।
দুটো ফিঙে নিজেদের মধ্যে যেন করে কবির লড়াই!
এতোটাই মিষ্টি সেই সুর যে, রেকর্ড করতে লোভ হয়।
পা টিপে টিপে ওদের লক্ষ করে একটু এগিয</description>
      <dc:creator> রত্না দেব বিশ্বাস ভৌমিক </dc:creator>
      <pubDate>Sat, 10 Dec 2022 16:39:26 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>ইমোশনালি ব্লাক মেইল</title>
      <link>https://sahityo.com/fq9alfwqdx5</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/fq9alfwqdx5</guid>
      <description>মানুষের মাঝে ইমোশন থাকাটা দোষের নাকি গুনের সেটা আজ অবধি বুঝতে পারলাম না। ধরুন, আপনি কারো কষ্ট দেখে কেঁদে ফেলেন, তার মানে হলো আপনার ইমোশন আছে। আর এই ইমোশনটা হবে আপনার দুর্বল পয়েন্ট। এটা নিয়ে কেউ আপনাকে বেশি কষ্ট দিয়ে মজা পাবে। আবার যদি আপনার মাঝে কোনো ইমোশন নাই থাকে তাহলে আপনি হতে পারেন উগ্র স্বভাবের। তাহলে এখন বলুনতো ইমোশন থাকাটা দোষের নাকি গুনের? যাইহোক, ইমোশন নিয়ে লেখার ইচ্ছা ছিলনা। কিন্তু লিখছি নিজের ইমোশন থেকেই। কারণ হলো আমারওতো ইমোশন আছে। আর সেই ইমোশনই বলছে যে, এটা নিয়ে লেখা উচিত। এবার একটা</description>
      <dc:creator>Shakil Babu</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 02 Dec 2022 23:34:20 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>মেঘের আড়ালে হাসি</title>
      <link>https://sahityo.com/s1dqf6fudsl</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/s1dqf6fudsl</guid>
      <description>এইতো সেদিনকার কথা। তখন ছোটো ছিলাম। এত কিছু ভাবতাম না। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যেতাম। বিকালে ফিরে এসে খেলাধূলা করার জন্য খেলার মাঠে যেতাম। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাসায় ফেরার নাম থাকতো না। অতঃপর, আম্মু গিয়ে ডেকে নিয়ে আসতো। মাঝে মাঝে বকাও খেতে হতো। তবে পড়াশোনার জন্য খুব বেশি বকা খেতে হয়নি। আমি বকা খেতাম দুষ্টামি করার জন্য। প্রাইমারি স্কুলে বেত্রাঘাত আর হাই-স্কুলেও ক্লাসে দাড়িয়েও থেকেছি অনেক। তবে ঐসময়গুলোকে এখন অনেক মিস করি। কলেজে পা রাখার পর থেকে দুষ্টামি কমিয়ে দিয়েছিলাম। তবে একেবারে যে ছেড়ে দিয়েছিলাম</description>
      <dc:creator>শাকিল বাবু</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 31 Oct 2022 07:22:07 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>নব প্রভাতের আলো</title>
      <link>https://sahityo.com/mjb1pbxcnl</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/mjb1pbxcnl</guid>
      <description>রাত বারোটার দিকে প্রুফ দেখা শেষ করে অফিস থেকে বেরিয়ে শীতের রাতে শরীরটাকে কিছুটা চাঙ্গা করার জন্য নিকটস্থ চায়ের দোকান থেকে আদা দিয়ে এক কাপ রং চা থেয়ে আর এক প্যাকেট গোল্ডলিফ সিগারেট কিনে সেই প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে সেটাকে ধরিয়ে টানতে টানতে কারওয়ানবাজারের সামনে এসে রাস্তার উপর বসা তরকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে তরি-তরকারি কিনে বাসায় যাওয়ার জন্য পঞ্চাশোর্ধ আকবর আলী  একটা রিক্সায় চড়ে বসে।রিক্সাওয়ালা রিক্সা চালিয়ে মার্কেটের সামনে থেকে বেরিয়ে রেললাইন পর্যন্ত এসে বামদিকে ঘুরে রেল লাইনের বিপরীত দি</description>
      <dc:creator>syed Junaed</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 31 Oct 2022 07:14:42 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>তুমি চাঁদ নাকি তারা?</title>
      <link>https://sahityo.com/h1wdke4aik</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/h1wdke4aik</guid>
      <description>তুমি চাঁদ নাকি তারা?
কামরুল ইসলাম

সেদিন গগনে প্রদীপের অভাব ছিল না
অযুত, নিযুত, কোটি হয়তো বা ঢের বেশি;
অবারিত আলোর মিছিল ঝড়ছিল নদীর বুকে
নদীর জলে তবু আলোর উৎসব হয় নি!

আসমান জুড়ে আলোক রশ্মি হাসে
তবু স্রোতের রূপে আমার দুচোখ ভাসে না;
আমার তরীর গায়ে আঁছড়ে পড়া
অদৃশ্য ঊর্মিরাও নাকি সমান শোকে কাঁদে!

তারকার আকার নাকি চন্দ্রতুল্য নয়,
তারকা সিন্ধু হলে চন্দ্র হয়ত বিন্দু;
তবু আলোহীন চাঁদের উপঢৌকনে
হেসে ওঠে নদী, নলখাগড়া সব।

ওগো প্রিয়া,
তুমি তাই তারা নও তুমি আমার চাঁদ!
তব স্নিগ্ধ, মিষ্টি ছটায় আঁধার আলোক রঙ</description>
      <dc:creator>Kamrul Islam</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 31 Oct 2022 03:47:48 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শেষ রজনী</title>
      <link>https://sahityo.com/kp676j67j0b</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/kp676j67j0b</guid>
      <description>ভোর রাত। চারদিক নীরব, নিস্তব্ধ। কোথাও কোন শব্দ নেই। নেই ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকও। জোনাকীরাও ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। বৃক্ষ-লতা, গুল্মরাজিও ঘুমের ঘরে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন বাতাসও। গাছের পাতা নড়ার মধ্য দিয়ে বাতাসের চঞ্চলতার টের পাওয়া যায়। এখন গাছের পাতারাও এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। জেগে নেই বৃক্ষের ডালে বাসা বাঁধা বিহঙ্গও। জেগে নেই গৃহপালিত প্রাণিও। শিয়াল কুকুরের হাঁকডাকও শোনা যায় না। শোনা যায় না বিড়ালের ইঁদুর তাড়ানোর শব্দও। সময় হয়নি মোরগ ডাকারও। এমনি সময় ঘুম ভাঙ্গে শাহেদের। বিছানায় হাতড়িয়ে মোবাইলে সময় দেখে</description>
      <dc:creator>হাসান কবীর</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 30 Oct 2022 06:22:05 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>লুকোচুরি</title>
      <link>https://sahityo.com/i5koley73p</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/i5koley73p</guid>
      <description>প্রমাদ-এর কালো ফিঙে, বসে ছিলো রসহীন কাঠে;
ছটফটে ছোট মাছ ঠোঁটে গুঁজে নিয়ে।

মাছটাও নির্দোষ, 
ফিঙেটাও নিষ্পাপ–
মাঝখানে ফিঙে-ফিঙে চোখ, হ&apos;য়ে গেলো রসের আড়াল;
বাঁচার আকুতি যেনো মাছের মোচড়…

মধ্যদূপুরে, বিকালের পরে, সন্ধ্যা কি রাত্রি গভীর হলেও;
কোনো-খানে ফিঙেপনা চোখ–
পাঁজরের হাড় খুঁজে পায়নি!

৩০/১০/২০২২</description>
      <dc:creator>তন্ময় সাহা</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 30 Oct 2022 05:00:41 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>ইচ্ছে ছিলো</title>
      <link>https://sahityo.com/4ei9smmkbpo</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/4ei9smmkbpo</guid>
      <description>ইচ্ছে আছে দেখবো ঘুরে 
আমার সোনার দেশ,
প্রতি প্রান্তে কতো কিছু 
প্রকৃতির নাই শেষ।

ঘরে বসে আমরা ভাবি
কি আছে দেখার, 
দেশ নিয়ে কি আছে 
নূতন করে লেখার। 

দেশের যতো কবি ছিলো 
তারা বলে গেছে, 
এই দেশে প্রকৃতির রূপ 
গ্রাম গঞ্জে আছে।

ধান ফলে গ্রামের মাঠে 
সবুজের মাতা মাতি, 
গাছ গাছালি সবুজ নিয়ে 
বেড়ে ওঠে রাতা রাতি।  

খাল বিলে মাছেরা সব
করছে জল কেলি,
ডাহুক ঘুঘু গাছের ডালে 
বেড়াচ্ছে সব খেলি।

টিনের চালে পড়ে যখন 
বৃষ্টির সব ফোটা, 
নূতন বউ মুচকি হেসে 
স্বামীকে দেয় খোটা।

পৃথিবীতে রয়েছে কতো 
যান্ত্রিক কলোরব</description>
      <dc:creator>ভোলানাথ পোদ্দার</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 29 Oct 2022 13:01:52 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>অভাব</title>
      <link>https://sahityo.com/7xbu0e4yb98</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/7xbu0e4yb98</guid>
      <description>কিছু ভয়ংকর সুন্দরের মধ্যে,
অভাব জিনিসটা অসম্ভব রকমের সুন্দর।
যে বড্ড রকম ক্ষুধার্ত থাকে 
তার রয়েছে যেমন ভাতের অভাব।
যার পরিধান করার মতো কাপড় নেই,
সেই বুঝে কাপড়ের অভাব। 

যে বাবা-মা তার সন্তানের জন্যে এক টুকরো 
কাপড় দিতে পারে না, 
সে বাবা-মা অনুধাবন করতে পারে পরিধানের বস্তুটা কতটা অভাব তার কাছে।

শত - সহস্র বর্ণ, শব্দ কিংবা বিশাল বিশাল বইয়ের স্তুপ থাকা সত্ত্বেও
যে পড়তে জানে না, লিখতে পারে না
কেবলমাত্র সে ব্যক্তিই বুঝে পড়া লেখা করতে
না পারার অভাব।

যে স্ত্রী সন্তান জন্ম দিতে পারে না,
আমরা যাকে বন্</description>
      <dc:creator>Bahar uddin</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 29 Oct 2022 11:09:14 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>কাঠের ঘর</title>
      <link>https://sahityo.com/o5m2dffo65q</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/o5m2dffo65q</guid>
      <description>কাঠের ঘর
             করে নড়বড়
ভিতর পানে উদুখল।
গোয়াল ঘরে
             গোবরসনে,
মস্ত দস্যুর দল।
কর্তা মশাই 
           দৌঁড়ান বায়ু বেগে,
ব্যাপার হচ্ছে কি যে।
ক্ষণেক পরে
            কর্ণ গোচর,
কাঠের ঘরে কারা যে।
হই হই
          রব রব, 
তুমুল চতুঃপানে।
যষ্ঠী, লাঠি
        ধেয়ে আসিল,
শতেক বলবান লোকে।
যষ্ঠীঘাতে ঘায়েল
             রমা তরফদার,
নামটি ডাকাত সর্দার।
মড়মড় রবে
       চক্ষু সামনে,
কাঠের ঘরের কি বাহার।</description>
      <dc:creator>Shourob Kumar Dev</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 29 Oct 2022 08:15:45 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>সোনাই পরি</title>
      <link>https://sahityo.com/nj9a5nn3ky</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/nj9a5nn3ky</guid>
      <description>পরি তোমায় ভালোবেসে
রাখব বুকের মাঝে,
মনের ভেতর দিবা-নিশি
তোমার কথাই বাজে।

সোনাই তোমায় ভালোবেসে
রাখব আমার বুকে,
দুজন মিলে দিবা-নিশি
থাকব অনেক সুখে।

পরি তোমার মুখের হাসি
অবাক হয়ে দেখি,
তোমায় নিয়ে সকাল-বিকাল
গদ্য-পদ্য লেখি।

সোনাই তোমার হাসি দেখে
শত দুঃখ ভূলি,
অবাক হয়ে শুনি আমি
তোমার মুখের বুলি।

এক পৃথিবী মায়া পরি
তোমার চোখে ভাসে,
তাইতো তোমার মুখটা যেন 
মুক্তোর মত হাসে।

এক পৃথিবী ভালোবাসা
সোনাই তোমার বুকে,
তোমার ভালোবাসায় সারা
জীবন থাকব সুখে।

আমার পরি আমার জীবন
আমার চোখের মণি,
তোমায় নিয়ে পরি আম</description>
      <dc:creator>BABUL ACADEMY</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 22 Oct 2022 17:45:19 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শহর</title>
      <link>https://sahityo.com/6dhddwa7onx</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/6dhddwa7onx</guid>
      <description>মানুষ নামের অনেক পশু
থাকে শহর জুড়ে,
পাই না খুজে মানুষ তেমন
অমানুষের ভিড়ে।

চুরি-ছিনতাই, মারামারি
দিবা-নিশি চলে,
প্রতারিত হয় যে মানুষ
শত ছলেবলে।

গাড়ির শব্দ, টিভির শব্দ
ঘুম আসে না চোখে,
শহরে না থাকি যারা
আছি অনেক সুখে।

লেখা: ০১/১১/২০২১</description>
      <dc:creator>Babul Howlader</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 17 Oct 2022 14:37:21 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>নারী মানে</title>
      <link>https://sahityo.com/kv6m95wf5nm</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/kv6m95wf5nm</guid>
      <description>নারী মানে মায়ের জাতি
সালাম জানাই শত,
নারী মানে সম্মান জানাই
আমি অবিরত।

নারী মানে নতুন সকাল
নতুনত্বের আশা,
নারী মানে আমার মুখে
প্রথম শেখা ভাষা।

নারী মানে আশার আলো
ছড়ায় ভুবন জুড়ে,
নারী মানে মা শব্দটা
মনের মাঝে ঘুরে। 

নারী মানে প্রথম বলা
আদো আদো কথা,
নারী মানে ভুলিয়ে দেয়া
শতশত ব্যথা।

নারী মানে যুদ্ধে যেতে
সাহস দেয়া মানুষ,
নারী মানে খুশি মনে
উড়িয়ে দেই ফানুষ।

নারী মানে &apos;নারী দিবস&apos;
মনে পুষে রাখা,
নারী মানে মনের ভেতর
সুখের ছবি আঁকা।

নারী মানে দুঃসময়ে
পাশে পাশে থাকা,
নারী মানে হৃদয় মাঝে
আগলে ধরে র</description>
      <dc:creator>Babul Howlader</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 17 Oct 2022 14:35:26 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>আজগর ও কয়েকটি অনুজীব</title>
      <link>https://sahityo.com/49yb81pa8t1</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/49yb81pa8t1</guid>
      <description>আজগর আলী ও কয়েকটি অনুজীব
১
আজগর আলী,
বয়স, তেইশ কি চব্বিশ, কিন্তু দেখা যায় ,চুপশে যাওয়া
কিসমিসের মত , যদি সোজা কথায় বলি , আজগর আলীকে
দেখে কেউ বিশ্বাস করবে না, সে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিদ্যায় স্নাতক সমমানের
তৃতীয় বর্ষের ছাত্র । দেখলে মনে হবে ,সে নাইন বা
টেইনে পড়ে,চোখে ভারী চশমা , ছোটখাটো দেহেরগরণ ,
আর সব সময় চুলে তেল দেয় । বরাবরি সে ক্লাসের
ছাত্রছাত্রী মধ্যে প্রথম হয়, মাঝে মধ্যে সে স্যারদের
বদলি হিসেবে প্রথম বর্ষে ক্লাশ নিয়ে থাকে। প্রায়ই,
ছাত্রছাত্রীরা তাকে নিয়ে মজা করে, হাঁসি ঠ্যাট্টা
করে,</description>
      <dc:creator>Yasin Khan</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 12 Oct 2022 19:05:02 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>টুনটুনি ও বিড়াল কথা</title>
      <link>https://sahityo.com/m8grmfmjg</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/m8grmfmjg</guid>
      <description>দু&apos;টি টুনটুনি বাসা বেঁধেছে গৃহস্থের বেগুনগাছে
উজ্জীবনের মিলিত সঞ্চারে দু&apos;জনার নিভৃত সুস্থিতি।

পাখি ডাকে, ফুল ফোটে গাছে
বেগুনগাছের পাতার আড়ালে
ওদের সুখ-দুঃখের গল্পকথা
কুড়িয়ে নেয় মুখর বিকেলের বাতাস।

হঠাৎ, ওদের সুস্থিতিতে বাদ সাধে
গৃহস্থের পোষা পেটুক বিড়ালের নির্জন উপস্থিতি!

গৃহস্থ গাছ থেকে বেগুন তোলে, টুনটুনির গান শোনে
আর, সাধের বিড়ালকে খেতে দেয় মাছের কাঁটা।

এদিকে, টুনটুনিদের সংসারে কাঁটা হয়ে থাকে,
পেটুক বিড়ালের নির্জন গোপন উপস্থিতি!

মৃত্যু কি কোথাও কারুর অপেক্ষায় থাকে?
আলো-ছায়া, জল-স্</description>
      <dc:creator>দীপক কুমার বেরা</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 06 Oct 2022 18:00:25 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>নবান্ন</title>
      <link>https://sahityo.com/4lsg2x5tbse</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/4lsg2x5tbse</guid>
      <description>হেমন্তের শুরু
ঠান্ডা হাওয়া গুরু গুরু
ভোরের আকাশ কুয়াশা ভরা
ক্ষেতে ক্ষেতে স্বর্ণচূড়া

চাষীরা কাটে সোনা ধান
বাতাসে ভাসে খুশির গান
বধূরা আজ ব্যাস্ত ভীষণ
আলপনা আঁকে, দিয়ে মনl

পিঠে -পুলি, সন্দেশ ক্ষীর
নানান খাবারের বিরাট ভীড়
নতুন ফসল, নতুন অন্ন
ঘরে ঘরে আজ নবান্নll</description>
      <dc:creator>অম্বিকা মন্ডল দেবরায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 06 Oct 2022 17:54:17 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>দুর্গাপূজা ১৪২৯</title>
      <link>https://sahityo.com/g5yumg4h0cn</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/g5yumg4h0cn</guid>
      <description>#চতুর্থী #

চতুর্থীর সন্ধ্যায় কলকাতার রাস্তায়
আকাশে মেঘ নেই, বৃষ্টির দেখা নেই
রাস্তায় যানজোয়ার, ফুটপাতে জনজোয়ার।

বালিগঞ্জ কালচারাল এসোসিয়েশন,
ত্রিধারা, দেশপ্রিয় পার্ক। বিগ বাজেট।
পূজা এবার জমেজমাট।

আমরা দুজনে আলোছায়ায়
হেঁটে হেঁটে ওরা ঘাম ঝরায়
গলির মোড়ে আইসক্রিম খায়।


# ষষ্ঠীর সকাল #

আজি প্রভাতে ষষ্ঠীশঙ্খ বাজে মন্ডপে মন্ডপে
ভোরের আলো প্রকাশে মানুষ নেমেছে পথে
উৎসাহ উদ্দীপনা তুঙ্গে পুজো উদযাপনে।

পুরোহিতরা এসে গেছেন বোধনের আয়োজনে
হাতে কাঠি, পিঠে ঢাক, ঢাকিরা সব দিচ্ছে হাঁক।


একডালি</description>
      <dc:creator>তন্ময় </dc:creator>
      <pubDate>Wed, 05 Oct 2022 14:44:44 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>মধ্যেরাতের নগরী</title>
      <link>https://sahityo.com/wd8q5t4wysa</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/wd8q5t4wysa</guid>
      <description>এই নগরীর ক্লান্তি ঘনীভূত হয় মধ্যরাতে
এক পায়ে দাঁড়িয়ে ল্যাম্পপোস্ট-
পোস্টার ব্যানার গুলো যেন পাহাড়ায় মগ্ন,
অলিগলিতে জ্যোৎস্নার মায়াজাল
ছেঁড়া-পৃষ্ঠাগুলো খুঁজে ফেরে বিভক্তির সন্ধান।

হঠাৎ কুহেলিকা ঢেকে দেয় চাঁদকে
স্বপ্নগুলোতে হানা দেয় আধারিকা
শুনশান নীরবতা আঁকড়ে ধরে চারপাশ,
তবুও থেমে নেই গল্পটা।</description>
      <dc:creator>অর্ণব ধর</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 05 Oct 2022 14:32:03 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>কালো আঁধার</title>
      <link>https://sahityo.com/68wm7gn3nbl</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/68wm7gn3nbl</guid>
      <description>সেই যে অজস্র অশ্রুধরায়
ভিজবে দু নয়ন
বরষা নামিবে ধরায়,
অরুণ কিরন পাইব না আর,
জীবন ঢাকিবে শ্যামল ছায়ায়,
সবদিকে ছেয়ে যাবে
অন্ধকার রাজ,
ভুবনময় নামবে তখন
কালো আঁধারের সাজ।

নির্ঘুম রাত বাড়ে-
শত চিন্তার প্রহারে,
আঁধারের ক্ষিপ্রতা
ঘনিয়ে আনে মনের রিক্ততা,
নিষ্ঠুর এই প্রহর -
ব্যথার অজস্র বহর,
তিলে তিলে হচ্ছে পূরন
রয়ে যাবে তা আমরন।

ঘাত প্রতিঘাত আর-
তাতে নিত্য এই সংসার
করা যাবে কী কখনো
এই ভাগ্যের সংহার।।</description>
      <dc:creator>অর্ণব ধর</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 05 Oct 2022 14:28:59 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>দীর্ঘশ্বাস</title>
      <link>https://sahityo.com/qp4f1wnynmr</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/qp4f1wnynmr</guid>
      <description>কিছু দীর্ঘশ্বাস, কিছু অব্যক্ত কথা
মানুষ আশেপাশে অনেক,
প্রান খুলে বলার, ভাব দেখে বোঝার-
মানুষতো নেই হাজারে এক।

সবই যেন ঝাপসা দেখি
বার বার বিভ্রান্ত হই - -সে কি!!
মগজে এখন নেই কিছু আর,
অবসাধ আসে বারে বার
কোনো এক বৃহৎ দুঃস্বপ্নে-
ডুবে গেছে হৃদয় ও মন !!</description>
      <dc:creator>অর্ণব ধর</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 05 Oct 2022 14:01:23 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শীতকাতুরে হৃদয়</title>
      <link>https://sahityo.com/u7kom8ol1ha</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/u7kom8ol1ha</guid>
      <description>যখন তুমি আমায় ইলিশ মাছ আর আতপ চালের গন্ধে
ভালোবাসা নামক শীত কাতুরে হৃদয়ে অল্প ছোঁয়াও আগুন
তখন আমি সকালের ফ্যানসে ভাতের ভ্যাপসা গরমে সুখ খুঁজে
সবচেয়ে দীর্ঘতম নিশ্বাসে, বিশ্বাসের ভীত মজবুত করি আরও। 
যখন তুমি পথচলা মানুষের ভীড়ে আমার হাত দুটো আঁকড়ে ধরে
বটের ছায়ার মতো তোমার প্রাণবন্ত মায়ায় আমায় রাখো বেঁধে
তখন আমি উত্তর সন্ধানী মেরুর মতো আর্কষণ খুঁজে খুঁজে
পরিধি ছেড়ে বেরিয়ে হেঁটে চলি অসীমের পথে একাকী অবাধে। 
যখন তুমি এক সহস্র শব্দের গভীরে আমাকে বারংবার পেতে চেয়ে
অজস্র গুল্ম লতার মতো জড়িয</description>
      <dc:creator>শুভজিৎ বিশ্বাস</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 04 Oct 2022 12:17:58 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>অসুস্থ শহরে নিষিদ্ধ করা হোক প্রেম</title>
      <link>https://sahityo.com/no9pl0ldyxc</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/no9pl0ldyxc</guid>
      <description>এই অসুস্থ শহরে,
প্রেমকে করা হোক নিষিদ্ধ। 
ব্যর্থ প্রেমিক-প্রেমিকাদের দেওয়া হোক ফাঁসি।
নিষিদ্ধ করা হোক,
প্রেম পত্র কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকার অদৃশ্য অনুভূতি
প্রয়োজনে দেওয়া হোক কঠিন অধ্যাদেশ। 
অনুভূতি প্রকাশে ছোঁতে চাইলে,
 হাতে পড়ানো হোক শক্ত হাত কড়।

এই অসুস্থ শহরে নিষিদ্ধ করা হোক প্রেম বিলাস,
প্রেমিকের হাতের ছোয়া, অদৃশ্য অনুভূতি কিংবা
নিষিদ্ধ করে দেওয়া হোক  স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকা
প্রেমিক - প্রেমিকাদের সেই গভীর রাত,
যাকে নিয়ে কল্পনা করে ঘুম না আসা।

নৈশব্দ শ্বাসরুদ্ধকরে, গলাটিপে হত্যা করা হোক 
আকুল </description>
      <dc:creator>Bahar uddin</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 04 Oct 2022 09:02:21 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>আমাকে সেই সঙ্গে</title>
      <link>https://sahityo.com/gd16hv</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/gd16hv</guid>
      <description>আমাকে সেই সঙ্গে যদি ডুবিয়ে দিতে 

তাহলে আর

এমনি দুহাত শূন্য, ফাঁকায়

চলতে থাকা

ঘটতো না আর 

আমাকে সেই সঙ্গে যদি ডুবিয়ে দিতে! 

তোমার মতন একলষেঁড়ে,নিরতিশয় ইচ্ছে -সাঁতার

দিচ্ছো এখন,ও চাঁদ সাক্ষী 

আমায় কিছু আপ্তবাক্যি..... 

নগদ বিদায়,না দিলে হয়? 



১৬/১২/৬৬

অগ্রন্থিত</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>সহজ</title>
      <link>https://sahityo.com/cmrnjc</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/cmrnjc</guid>
      <description>এতো কঠিন পাথর ভেঙে করলে

তুমি সহজ নদী 

তোমার হাতে যাদুদণ্ড-

সুসময়ের সঙ্গে আসো।

সঙ্গে চলো : এই কথাটি তুমি আমায়

বললে যদি---

তোমার সঙ্গে আকাশ-পাতাল ;

বললে আজো ভালোই বাসো।

কতোকালের ইচ্ছে ছিলো তোমার

সঙ্গে কইবো কথা-

উজ্জ্বলতার স্মারক বাগান, সেই

একদা দেখিয়েছিলাম!

আজ বিকেলের আলোয় বুঝবো

অবশ্যত নীরবতার

জন্ম ক্ষণেক, বাড়তে থাকলো, আমরা 

দুজন বসেছিলাম।

জনসভার মধ্যে এমন একাকিত্ব

কখনো হয়!

একা একাই ছিলাম বসে, কয়েক বছর 

বসেই আছি।

তোমার মুখে হঠাৎ দেখি

স্কাইলাইটের রোদ পড়েছে---

পিছিয়ে গেলে কিশোর</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি</title>
      <link>https://sahityo.com/rfbmwb</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/rfbmwb</guid>
      <description>মনে পড়ে স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি রাজপথ ধ’রে ক্রমাগত

সাইকেল ঘন্টির মতো চলে গেছে, পথিক সাবধান…

শুধু স্বেচ্ছাচারী আমি, হাওয়া আর ভিক্ষুকের ঝুলি

যেতে-যেতে ফিরে চায়, কুড়োতে-কুড়োতে দেয় ফেলে

যেন তুমি, আলস্যে এলে না কাছে, নিছক সুদূর

হয়ে থাকলে নিরাত্মীয় ; কিন্তু কেন? কেন, তা জানো না।

মনে পড়বার জন্য? হবেও বা । স্বাধীনতাপ্রিয়

ব’লে কি আক্ষেপ? কিন্তু বন্দী হয়ে আমি ভালো আছি।

তবু কোনো খর রৌদ্রে, পাটকিলে কাকের চেরা ঠোঁটে

তৃষ্ণার চেহারা দেখে কষ্ট পাই, বুঝে নিতে পারি

জলের অভাবে নয়, কোন টক লালার কান্নায়

তার</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>চতুর্দশপদী কবিতাবলী —৪০</title>
      <link>https://sahityo.com/lxpb2k</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/lxpb2k</guid>
      <description>যেবার ওদের সঙ্গে যেতে হলো বেড়াতে পশ্চিমে —

মানুষ বেড়ায় ! তাই বহুদিন সাহাবাবুদের 

কালাে ছেলেটির কাছে ছিলে তুমি, মােটে ফরসা নয় আমার মতন, 

আহা প্লাতেরাে, তােমারই কষ্ট হলাে! 

পশ্চিমের থেকে কিছু ঘাস আমি তােমাকে পাঠাই খামের ভিতর, 

তুমি পােস্টাপিস থেকে চেয়ে নিও 

খামটা খেয়াে না, ওতে আঠা আছে, কালিতেও বিষ— 

পেটের অসুখ হলে কে তােমারে দেখবে প্লাতেরাে? 

মনে আছে, কিছুদিন আমাদের বাড়ির উঠানে 

তােমার চারিটি পায়ে জুতােমােজা পরিয়ে বলতাম : 

প্লাতেরাে, অঙ্কের ক্লাশে এইভাবে ফাঁকি দিতে হবে— 

এইভাবে</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>পার্শ্ব চরিত্র</title>
      <link>https://sahityo.com/erphsi</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/erphsi</guid>
      <description>অরণ্যের মতো তোর নোটন পায়রাকে ঢেকে রাখি।

অন্ধকার জলে দুটি বাহু ফেরে মাছের মতন, 

হিংস্র শীতল হাসি শৃগালের মুখ থেকে গলে 

কাঁপায় সর্বত্র শাস্তি। পরিতৃপ্ত রাত্রেও পাগলে 

অঙ্ক কষে নাজেহাল। আমি তোর চন্দনের বন 

পার হতে পরাজিত, ফিরেছি যৌবন বেচে হাটে 

উদাস হওয়ার মতো কণ্ঠে এক ক্লান্তির তামাটে মাদুলিতে 

রক্ষা করি নাম-ধাম অন্ধকার মেঘে 

বিপন্ন পাখির মতো ফিরি তোর যন্ত্রণায় জেগে।

সারাদিন ধান খুঁটি, ফিরে আসি সন্ধ্যাবেলা ঘরে। 

জানলার শার্সিতে একা শালিখ হাজার বার নড়ে ;

পায়ে পায়ে পার্কে আসি মুখ তা</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>বিষম চিন্তা</title>
      <link>https://sahityo.com/nd2e4r</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/nd2e4r</guid>
      <description>মাথায় কত প্রশ্ন আসে,
দিচ্ছে না কেউ জবাব তার—
সবাই বলে “মিথ্যে বাজে
বকিস নে আর খবরদার!”
অমন ধারা ধমক দিলে
কেমন করে শিখব সব?
বলবে সবাই, “মুখ্যু ছেলে”,
বলবে আমায় “গো-গর্দভ!”
কেউ কি জানে দিনের বেলায়
কোথায় পালায় ঘুমের ঘোর?
বর্ষা হলেই ব্যাঙের গলায়
কোত্থেকে হয় এমন জোর?
গাধার কেন শিং থাকে না?
হাতির কেন পালক নেই?
গরম তেলে ফোড়ন দিলে
লাফায় কেন তা ধেই-ধেই?
সোডার বোতল খুল্লে কেন
ফঁসফঁসিয়ে রাগ করে?
কেমন করে রাখবে টিকি
মাথায় যাদের টাক পড়ে?
ভূত যদি না থাকবে তবে
কোত্থেকে হয় ভূতের ভয়?
মাথায় যাদের গ</description>
      <dc:creator>সুকুমার রায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>এখন, ছুটির দিনে</title>
      <link>https://sahityo.com/oi983k</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/oi983k</guid>
      <description>এখন, ছুটির দিনে ভালােবাসা ভিড় করে আসে একদিন আসতাে না, 

আমি ছড়িয়ে পা বসেছিলাম ঘাসে যেন এক কলঙ্কী মেয়ে, 

মেঘ দেখে হতাে বারমুখী ... 

এখন, ছুটির দিনে ভালােবাসা ভিড় করে আসে 

একাকী আসে না, তার ভয় করে, 

কে জানে কখনাে তার ঘাড় মটকে আমি খাবাে বাঘ, রক্ত যতক্ষণ 

তারপর হাড়মালা কণ্ঠে পরে বলবাে : জয়ী, জয়ী!

এখন, ছুটির দিনে ভালােবাসা ভিড় করে আসে

আমার সময় নেই, কে জানি কাহাকে ভালােবাসে! 



কাব্যগ্রন্থ 

উড়ন্ত সিংহাসন</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>নেড়া বেলতলায় যায় কবার?</title>
      <link>https://sahityo.com/636lsc</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/636lsc</guid>
      <description>রোদে রাঙা ইঁটের পাঁজা তার উপরে বসল রাজা—
       ঠোঙাভরা বাদামভাজা খাচ্ছে কিন্তু গিলছে না৷
গায়ে আঁটা গরম জামা পুড়ে পিঠ হচ্ছে ঝামা;
       রাজা বলে, &apos;বৃষ্টি নামা— নইলে কিচ্ছু মিলছে না৷&apos;
থাকে সারা দুপুর ধ&apos;রে ব&apos;সে ব&apos;সে চুপটি ক&apos;রে,
       হাঁড়িপানা মুখটি ক&apos;রে আঁকড়ে ধ&apos;রে শ্লেটটুকু;
ঘেমে ঘেমে উঠছে ভিজে ভ্যাবাচ্যাকা একলা নিজে,
       হিজিবিজি লিখছে কি যে বুঝছে না কেউ একটুকু৷
ঝাঁ ঝাঁ রোদ আকাশ জুড়ে, মাথাটার ঝাঁঝ্‌রা ফুঁড়ে,
       মগজেতে নাচছে ঘুরে রক্তগুলো ঝনর্‌ ঝন্‌;
ঠাঠা–পড়া দুপুর দিনে, রাজা বলে,</description>
      <dc:creator>সুকুমার রায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>প্রভাতে বিদায়</title>
      <link>https://sahityo.com/mvv86w</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/mvv86w</guid>
      <description>সঙ্কীর্ণ তীরের সীমা সাগরে ঘিরেছে একেবারে; সমুজ্জ্বল সূর্যালোক দেখা যায় শৈল-পরপারে,
সরল সে পথখানি, তার লাগি স্বর্ণালোক ভরা-
আর মোর লাগি-কোথা কর্মময় লোকময় ধরা!</description>
      <dc:creator>যতীন্দ্রমোহন বাগচী</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>ক্ষ্যাপা</title>
      <link>https://sahityo.com/gj3ob0</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/gj3ob0</guid>
      <description>(বাউল)
ওরে ক্ষ্যাপা, যদি প্রাণ দিতে চাস্-
এই বেলা তুই দিয়ে দে না;
ওরে, মানের তরে প্রাণটি দেবার
এমন সুযোগ আর হবে না!
যখন, দু-দিন আগে দু-দিন পরে-
তফাৎ মাত্র এই,
তখন অমূল্য এই মানবজীবন
বৃথায় দিতে নেই-
(ওরে ক্ষ্যাপা
মায়ের দেওয়া এ ছার জনম
দে রে মায়ের তরে;
অমর জনম পাবিরে ভাই
জগৎ-মায়ের ঘরে।
কি দিয়েছিস-লিখবে যখন
পরকালের খাতা,
তখন, তোরই দানে করবে আলো
বইয়ের প্রথম পাতা!-
(ওরে ক্ষ্যাপা)</description>
      <dc:creator>যতীন্দ্রমোহন বাগচী</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শ্রীশ্রীবর্ণমালাতত্ত্ব</title>
      <link>https://sahityo.com/h51nux</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/h51nux</guid>
      <description>পড় বিজ্ঞান হবে দিকজ্ঞান ঘুচিবে পথের ধাঁধা
দেখিবে গুণিয়া এ দিন দুনিয়া নিয়ম নিগড়ে বাঁধা।
কহে পন্ডিতে জড়সন্ধিতে বস্তুপিন্ড ফাঁকে
অনু অবকাশে রন্ধ্রে- রন্ধ্রে আকাশ লুকায়ে থাকে।
হেথা হেথা সেথা জড়ের পিন্ড আকাশ প্রলেপে ঢাকা
নয়কো কেবল নিরেট গাঁথন, নয়কো কেবলি ফাঁকা।
জড়ের বাঁধন বদ্ধ আকাশে, আকাশে বাঁধন জড়ে-
পৃথিবী জুড়িয়া সাগর যেমন, প্রাণটি যেমন ধড়ে।;
&apos;ইথার&apos; পাথারে তড়িত বিকারে জড়ের জীবন দোলে,
বিশ্ব - মোহের সুপ্তি ভাঙিছে সৃষ্টির কলরোলে।।
শুন শুন বার্তা নুতন, কে যেন স্বপন দিলা
ভাষা প্রাঙ্গণে স</description>
      <dc:creator>সুকুমার রায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>শোন শোন গল্প শোন</title>
      <link>https://sahityo.com/mnfmh5</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/mnfmh5</guid>
      <description>শোন শোন গল্প শোন, ‘এক যে ছিল গুরু’
এই আমার গল্প হল শুরু।
যদু আর বংশীধর যমজ ভাই তারা-
এই আমার গল্প হল সারা।
   (অন্যান্য ছড়াসমূহ)</description>
      <dc:creator>সুকুমার রায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>ছবি ও গল্প</title>
      <link>https://sahityo.com/0m3eyy</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/0m3eyy</guid>
      <description>ছবির টানে গল্প লিখি নেইক এতে ফাঁকি
যেমন ধারা কথায় শুনি হুবহু তাই আঁকি ।
পরীক্ষাতে গোল্লা পেয়ে
হাবু ফেরেন বাড়ি
চক্ষু দুটি ছানাবড়া
মুখখানি তার হাঁড়ি
রাগে আগুন হলেন বাবা
সকল কথা শুনে
আচ্ছা ক&apos;রে পিটিয়ে তারে
দিলেন তুলো ধুনে
মারের চোটে চেঁচিয়ে বাড়ি
মাথায় ক&apos;রে তোলে
শুনে মায়ের বুক ফেটে যায়
&apos;হায় কি হল&apos; ব&apos;লে
পিসী ভাসেন চোখের জলে
কুট্‌নো কোটা ফেলে
আহ্লাদেতে পাশের বাড়ি
আটখানা হয় ছেলে ।</description>
      <dc:creator>সুকুমার রায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
    <item>
      <title>মানুষ সিন্ধুর মনে</title>
      <link>https://sahityo.com/mrsmkc</link>
      <guid isPermaLink="true">https://sahityo.com/mrsmkc</guid>
      <description>পাহাড়ে সমতা বেশি …

কিছু তারা জানেন ইঁদুর

কিছুবা স্বপ্নের মধ্যে সত্য হয়

যেমন জোনাকি

নক্ষত্রের হালচাল নিয়ে চলাফেরা করে দূর

মানুষ সিন্ধুর মনে

দাম কি সেখানে পাবো?

হক্-কথা বিক্রিতে বানাবো

বৃদ্ধের চৌদিকে স্তূপ?

জনে জনে

নক্ষত্রের হালচাল নিয়ে চলাফেরা করে দূর 

মানুষ সিন্ধুর মনে॥</description>
      <dc:creator>শক্তি চট্টোপাধ্যায়</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 27 Jan 2022 18:30:00 GMT</pubDate>
    </item>
  </channel>
</rss>