অব্যক্ত কথন
কবিতাটি তারিখে ফয়সল অভি লিখেছেন · ২ মিনিট পড়ার সময় ·
আজ আমি একটি গল্প বলব;
নাহ্, ঠিক গল্প নয়,
তবে গল্পেরই মতো।
আমার কিশোরী জীবনের কথাতো,
গল্পই হবে, তবে তা বাস্তবের গল্প।
এই কথা গুলো হয়তো মিলে যাবে,
কারো জীবনের কঠিন সত্যের সাথে।
হয়তো কথা গুলো আপনাদের,
কুৎসিত লাগবে – নোংরা মনে হবে।
কিন্তু কথা গুলো বাস্তব;
চরম সত্য, এই আমার জন্য;
হয়তো আমার মতো অনেকেরই।
কষ্ট গুলো লুকিয়ে রেখেছি,
পুষে পুষে বড় করেছি;
কি আর আমি করতে পারি,
যখন বালিকা আমি উড়ছি।
যখন আমি ঘাসফড়িঙের মতো -
উড়ে বেড়ায় এখানে সেখানে।
আমার কাছে এই পৃথিবী -
স্বর্গরাজ্য এই ভুবনে।
অবুঝ বালিকা,
সদ্য পা দেওয়া বারতে।
সবে বুঝতে শিখছি,
মায়া আলো আঁধারেতে।
ধূলিকণা ছেড়ে উঠে আসা,
বুঝি কি তখন এই সংসারের ছলাকলা।
আনন্দে হাসি খেলায় মেতে উঠি,
কিভাবেই যেন বয়ে যেতো সারাবেলা।
আশপাশে অনেককেই দেখতাম ;
যাদের শকুন দৃষ্টি থাকতো আমার দিকে।
বুঝি নাই তখন কেন এ ললুপ দৃষ্টি;
কেন তারা খোঁজে মোরে ফাঁকে ফাঁকে।
কথার ছলে হাসির আদরে -
স্পর্শ করতো তারা সঙ্গোপনে।
লোক চক্ষুর অন্তরালে
তাদের আভাস পেতাম গোপণে।
অসস্তিতে গা ঘিনঘিন করত,
তবু সহ্য করতে হতো।
নিজেকে ভাবি বন্দী পাখি -
আমার কেন দুঃখ এতো?
কাকে বলব – কার বিরুদ্ধে বলব,
এরা যে আমার ই আপনজন।
মাকে কি বলতে পারি,
কি করছে দেখ তোমার বোনের স্বামী।
বলতে কি পারি দেখ মা,
কি চায় তোমার বুড়ো চাচা।
পারি না আমি, পারি নাই তখনো ;
যখন বাদ যায় না মক্তবের হুজুরও।
নিজের সাথে নিজেই লড়ি,
আমি এখন কি যে করি?
যখন ঘরের জায়গিরও,
পড়ার ফাঁকে হাতড়ায় ও।
কষ্ট আমার কষ্ট গুলো -
উড়িয়ে বেড়ায় এখনো ধূলো।
নগ্নতার দৃশ্য গুলো -
আমার চোখে ফেলে আলো।
বয়সটা যখন একটু বাড়ল,
অত্যাচারের সীমা ছড়ালো।
নিজের মাঝেই নিজেই লুকি,
কেমনে আমি নিজে চলি।
কাকে বলব এই লজ্জার কথা,
কাকে বুঝাব এই মনের ব্যথা।
কেউ যেন বাদ যায় না,
সকল পুরুষ যেন হায়েনা।
লালসার ঐ নগ্ন চাহনি,
সে হোক না কেন বোনের স্বামী।
তার কাছে তো আরোও সহজ,
সেযে আমার বোনের নাগর।
বোনকে বলি আড়ালে কিছু,
বোন উল্টো নেয় আমার পিছু।
যায় না কখনো আত্মীয়র বাড়ি,
সবাই ভাবে আমি আনাড়ি।
মুখ বুঝে সব সহ্য করি,
কাউকে কিছু বলিনা আমি।
কত বিভৎস নোংরা কদাকার -
সেই সব মুখ গুলো,
আমি আজও ভয়ে শিউরে উঠি।
আমার কিশোরী বেলার সেই সব স্মৃতি,
আজও মনে পড়লে কেঁদে উঠি।
আমার মতো রয়েছে এমনি,
সারা বাংলার হাজার কিশোরী।
যারা মুখ বুজে সই যে সবই,
বলতে পারে না মুখে কিছু।
রয় যে তারা ভয়ে ভয়ে,
কে কখন নেয় তাদের পিছু।
সেই সব কিশোরীর বেড়ে উঠা,
থাকে পুরুষের প্রতি শুধুই ঘৃণা।
অসুস্থ চিন্তায় নগ্নতার ছায়ায়,
অনেকেই তারা হারিয়ে যায়।
তারা তো তারাই,
যারা আমাদের সন্তান,
তারা তো তারাই,
যারা করবে আগামীকে নির্মান।
একটি চারা যেমন দরকার একটি খুটি,
একটি কিশোরীর দরকার নিচে শক্ত মাটি।
পরিবার কে হতে হবে আরোও আন্তরিক,
রাখতে হবে তাদের চোখ এদিক ওদিক।
বুঝতে হবে তাদেরকে তাদের মতো,
বুঝতে হবে তাদের দুঃখ যত।
একটি কিশোরী একটি বালিকা,
হবে একদিন সে একজন গর্বিত মা।
আমাদের ভালবাসা দেবো বাড়িয়ে,
নয় তা নগ্নতা শুধুই ভালবাসা।
বেড়ে উঠবে সে হেসে খেলে,
প্রজাপতির মতো দুটি পাখা মেলে।
নাহ্, ঠিক গল্প নয়,
তবে গল্পেরই মতো।
আমার কিশোরী জীবনের কথাতো,
গল্পই হবে, তবে তা বাস্তবের গল্প।
এই কথা গুলো হয়তো মিলে যাবে,
কারো জীবনের কঠিন সত্যের সাথে।
হয়তো কথা গুলো আপনাদের,
কুৎসিত লাগবে – নোংরা মনে হবে।
কিন্তু কথা গুলো বাস্তব;
চরম সত্য, এই আমার জন্য;
হয়তো আমার মতো অনেকেরই।
কষ্ট গুলো লুকিয়ে রেখেছি,
পুষে পুষে বড় করেছি;
কি আর আমি করতে পারি,
যখন বালিকা আমি উড়ছি।
যখন আমি ঘাসফড়িঙের মতো -
উড়ে বেড়ায় এখানে সেখানে।
আমার কাছে এই পৃথিবী -
স্বর্গরাজ্য এই ভুবনে।
অবুঝ বালিকা,
সদ্য পা দেওয়া বারতে।
সবে বুঝতে শিখছি,
মায়া আলো আঁধারেতে।
ধূলিকণা ছেড়ে উঠে আসা,
বুঝি কি তখন এই সংসারের ছলাকলা।
আনন্দে হাসি খেলায় মেতে উঠি,
কিভাবেই যেন বয়ে যেতো সারাবেলা।
আশপাশে অনেককেই দেখতাম ;
যাদের শকুন দৃষ্টি থাকতো আমার দিকে।
বুঝি নাই তখন কেন এ ললুপ দৃষ্টি;
কেন তারা খোঁজে মোরে ফাঁকে ফাঁকে।
কথার ছলে হাসির আদরে -
স্পর্শ করতো তারা সঙ্গোপনে।
লোক চক্ষুর অন্তরালে
তাদের আভাস পেতাম গোপণে।
অসস্তিতে গা ঘিনঘিন করত,
তবু সহ্য করতে হতো।
নিজেকে ভাবি বন্দী পাখি -
আমার কেন দুঃখ এতো?
কাকে বলব – কার বিরুদ্ধে বলব,
এরা যে আমার ই আপনজন।
মাকে কি বলতে পারি,
কি করছে দেখ তোমার বোনের স্বামী।
বলতে কি পারি দেখ মা,
কি চায় তোমার বুড়ো চাচা।
পারি না আমি, পারি নাই তখনো ;
যখন বাদ যায় না মক্তবের হুজুরও।
নিজের সাথে নিজেই লড়ি,
আমি এখন কি যে করি?
যখন ঘরের জায়গিরও,
পড়ার ফাঁকে হাতড়ায় ও।
কষ্ট আমার কষ্ট গুলো -
উড়িয়ে বেড়ায় এখনো ধূলো।
নগ্নতার দৃশ্য গুলো -
আমার চোখে ফেলে আলো।
বয়সটা যখন একটু বাড়ল,
অত্যাচারের সীমা ছড়ালো।
নিজের মাঝেই নিজেই লুকি,
কেমনে আমি নিজে চলি।
কাকে বলব এই লজ্জার কথা,
কাকে বুঝাব এই মনের ব্যথা।
কেউ যেন বাদ যায় না,
সকল পুরুষ যেন হায়েনা।
লালসার ঐ নগ্ন চাহনি,
সে হোক না কেন বোনের স্বামী।
তার কাছে তো আরোও সহজ,
সেযে আমার বোনের নাগর।
বোনকে বলি আড়ালে কিছু,
বোন উল্টো নেয় আমার পিছু।
যায় না কখনো আত্মীয়র বাড়ি,
সবাই ভাবে আমি আনাড়ি।
মুখ বুঝে সব সহ্য করি,
কাউকে কিছু বলিনা আমি।
কত বিভৎস নোংরা কদাকার -
সেই সব মুখ গুলো,
আমি আজও ভয়ে শিউরে উঠি।
আমার কিশোরী বেলার সেই সব স্মৃতি,
আজও মনে পড়লে কেঁদে উঠি।
আমার মতো রয়েছে এমনি,
সারা বাংলার হাজার কিশোরী।
যারা মুখ বুজে সই যে সবই,
বলতে পারে না মুখে কিছু।
রয় যে তারা ভয়ে ভয়ে,
কে কখন নেয় তাদের পিছু।
সেই সব কিশোরীর বেড়ে উঠা,
থাকে পুরুষের প্রতি শুধুই ঘৃণা।
অসুস্থ চিন্তায় নগ্নতার ছায়ায়,
অনেকেই তারা হারিয়ে যায়।
তারা তো তারাই,
যারা আমাদের সন্তান,
তারা তো তারাই,
যারা করবে আগামীকে নির্মান।
একটি চারা যেমন দরকার একটি খুটি,
একটি কিশোরীর দরকার নিচে শক্ত মাটি।
পরিবার কে হতে হবে আরোও আন্তরিক,
রাখতে হবে তাদের চোখ এদিক ওদিক।
বুঝতে হবে তাদেরকে তাদের মতো,
বুঝতে হবে তাদের দুঃখ যত।
একটি কিশোরী একটি বালিকা,
হবে একদিন সে একজন গর্বিত মা।
আমাদের ভালবাসা দেবো বাড়িয়ে,
নয় তা নগ্নতা শুধুই ভালবাসা।
বেড়ে উঠবে সে হেসে খেলে,
প্রজাপতির মতো দুটি পাখা মেলে।
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।