রুদ্ধ কন্ঠ
কবিতাটি তারিখে ফয়সল অভি লিখেছেন · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
আমি অসহায় দূর্বল অপরাগ অক্ষম;
আমি ক্লান্ত-শ্রান্ত পরিশ্রান্ত নরাধম।
আমি পারি না নির্ভীক কন্ঠে,
প্যারেডে রাজপথে শহরের উপকন্ঠে,
গলা ছেড়ে বলতে মুক্ত কন্ঠে;
পারি না দাঁড়াতে দ্বিধাহীন চিত্তে।
অত্যাচারীর পাশে দূর্বল জনে,
নিপীড়িত নিগৃহীত মানবের কল্যানে,
অসহায় আমি উৎপীড়িতের ক্রন্দন শ্রবনে,
অসমর্থ আমার সামর্থ্যবান তারুন্যে
মানুষের কল্যান সাধনে।।
আমি পালিয়ে বেড়াই জীবন হতে,
হারিয়ে যায় আপন সুখ-শান্তি্তে,
ডুবে থাকি আমি আমার আমি’তে,
আপনাকে নিয়ে ব্যস্ত প্রতি ক্ষনেতে;
চায় না জড়াতে দুখীর সাথে মোর জীবন ।
পাশ কাটিয়ে এড়িয়ে চলি প্রতিটি ক্ষন।
বঞ্চিতের আর্ত-চিৎকার করি না শ্রবন;
অন্যায় দেখেও ভাব করি
কিছুই দেখে নি দু’নয়ন।।
কেন আজ রুদ্ধ আমার বজ্রকন্ঠ,
অশান্ত হৃদয় কেন আজ নিস্পৃহ শান্ত,
কোথায় সেই সুপ্ত-গুপ্ত রনকন্ঠ,
কেন আজ অক্লান্ত আমি শ্রান্ত-ক্লান্ত;
কে আমার কন্ঠকে করেছে রুদ্ধ,
কার জন্য আজ আমি অস্বাভাবিক গুপ্ত,
কোথায় সেই ঝংকার তোলা হুংকার
-নিখাদ বিশুদ্ধ।
কেন কারামুক্ত আজ আমি কারারুদ্ধ।।
অন্যায় অবলোকনে নিশ্চুপ আমি
কথা বলি মেপে মেপে -যেন শান্তিকামী ;
কোথায় সেই গর্জন সেই বজ্রবানী,
কার ভয়ে নির্ভীক আমি, ভীত-সন্ত্রস্ত সুবিধাকামী।
আমার কন্ঠ থেকে বিপ্লব কে কেড়ে নিল,
কে আমায় এমন ভেজা বেড়াল করল;
কার জন্য আজ এই অবস্থা হল!
কোন সেই জন যে আমার
-বিপ্লবী আত্না হত্যা করল ।।
কে সে? মৃত্যু ভয়? বেঁচে থাকার
-দূর্নিবার আকর্ষন?
নাকি পিছুটান? আপন আত্নীয়-স্বজন ।
কে সে? কে সে? কার জন্য
-বজ্রকন্ঠ আজ রুদ্ধকন্ঠ।
সে কি শাসকের শেকল, যা করল আজ শান্।।
আমি ক্লান্ত-শ্রান্ত পরিশ্রান্ত নরাধম।
আমি পারি না নির্ভীক কন্ঠে,
প্যারেডে রাজপথে শহরের উপকন্ঠে,
গলা ছেড়ে বলতে মুক্ত কন্ঠে;
পারি না দাঁড়াতে দ্বিধাহীন চিত্তে।
অত্যাচারীর পাশে দূর্বল জনে,
নিপীড়িত নিগৃহীত মানবের কল্যানে,
অসহায় আমি উৎপীড়িতের ক্রন্দন শ্রবনে,
অসমর্থ আমার সামর্থ্যবান তারুন্যে
মানুষের কল্যান সাধনে।।
আমি পালিয়ে বেড়াই জীবন হতে,
হারিয়ে যায় আপন সুখ-শান্তি্তে,
ডুবে থাকি আমি আমার আমি’তে,
আপনাকে নিয়ে ব্যস্ত প্রতি ক্ষনেতে;
চায় না জড়াতে দুখীর সাথে মোর জীবন ।
পাশ কাটিয়ে এড়িয়ে চলি প্রতিটি ক্ষন।
বঞ্চিতের আর্ত-চিৎকার করি না শ্রবন;
অন্যায় দেখেও ভাব করি
কিছুই দেখে নি দু’নয়ন।।
কেন আজ রুদ্ধ আমার বজ্রকন্ঠ,
অশান্ত হৃদয় কেন আজ নিস্পৃহ শান্ত,
কোথায় সেই সুপ্ত-গুপ্ত রনকন্ঠ,
কেন আজ অক্লান্ত আমি শ্রান্ত-ক্লান্ত;
কে আমার কন্ঠকে করেছে রুদ্ধ,
কার জন্য আজ আমি অস্বাভাবিক গুপ্ত,
কোথায় সেই ঝংকার তোলা হুংকার
-নিখাদ বিশুদ্ধ।
কেন কারামুক্ত আজ আমি কারারুদ্ধ।।
অন্যায় অবলোকনে নিশ্চুপ আমি
কথা বলি মেপে মেপে -যেন শান্তিকামী ;
কোথায় সেই গর্জন সেই বজ্রবানী,
কার ভয়ে নির্ভীক আমি, ভীত-সন্ত্রস্ত সুবিধাকামী।
আমার কন্ঠ থেকে বিপ্লব কে কেড়ে নিল,
কে আমায় এমন ভেজা বেড়াল করল;
কার জন্য আজ এই অবস্থা হল!
কোন সেই জন যে আমার
-বিপ্লবী আত্না হত্যা করল ।।
কে সে? মৃত্যু ভয়? বেঁচে থাকার
-দূর্নিবার আকর্ষন?
নাকি পিছুটান? আপন আত্নীয়-স্বজন ।
কে সে? কে সে? কার জন্য
-বজ্রকন্ঠ আজ রুদ্ধকন্ঠ।
সে কি শাসকের শেকল, যা করল আজ শান্।।
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।