রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম ১৬ – ২০
এই কবিতাটি লিখেছেন নজরুল ইসলাম · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
১
৬
.
ব্যথায় শান্তি লাভের তরে থাকত যদি কোথাও স্থান
শ্রান্ত পথের পথিক মোরা সেথায় জুড়াতাম এ প্রাণ ।
শীত-জর্জর হাজার বছর পর নবীন বসন্তে
ফুলের মতো উঠত ফুটে মোদের জীবন-মুকুল ম্লান ।
১
৭.
বুলবুলি এক হালকা পাখায় উড়ে যেতো গুলিস্তান,
দেখল হাসিখুশি ভরা গোলাপ লিলির ফুল-বাথান ।
আনন্দে সে উঠল গাহি, "মিটিয়ে নে সাধ এই বেলা,
ভোগ করতে এমন দিন আর পাবিনে তুই ফিরিয়ে প্রাণ!"
১
৮.
রূপ-মাধুরীর মায়ায় তোমার যদিন পার, লো প্রিয়া,
তোমার প্রেমিক বঁধুর ব্যথা হরণ করো প্রেম দিয়া !
রূপ-লাবণীর সম্ভার এই রইবে না সে চিরকাল,
ফিরবে না আর তোমার কাছে যায় যদি বিদায় নিয়া ।
১
৯.
সাকি! আনো আমার হাতে মদ-পেয়ালা, ধরতে দাও !
প্রিয়ার মতন ও মদ-মদির সুরত-ওয়ালী বরতে দাও !
জ্ঞানী এবং অজ্ঞানীরে বেঁধে যা দেয় গাঁটছড়ায়,
সেই শারাবের শিকল, সাকি, আমায় খালি পরতে দাও !
২
০.
নীল আকাশের নয়ন ছেপে বাদল-অশ্রুজল ঝরে,
না পেলে আজ এই পানীয় ফুটত না ফুল বন ভরে ।
চোখ জুড়াল আমার যেমন আজ এ ফোটা ফুলগুলি,
মোর কবরে ফুটবে যে ফুল__কে জানে হায় কার তরে!
(কাব্যগ্রন্থঃ রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম, ফেব্রুয়ারী
২
০
১
০, প্রকাশকঃ বিশ্ব সাহিত্য )
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।