একটি ধর্ষীতা মেয়ে: আমার ভালবাসা
গদ্য কবিতাটি তারিখে a.halim লিখেছেন · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
আমি নাম লেখাতে গেছি কবির খাতায় , মুঠো ভরা কাঁপনগুলো পর্দার—দেখি পর্দায় কেমন ইন্দ্রজাল একে রেখেছো। গহন আবেশে অতিশয় মুগ্ধ যখন —
মুগ্ধতা সেতো তোমারই জন্যে ; সম্পূর্ণ ফুটেও নারী, ক্লাসিক্যালি অস্ফূট…।
যোগ্যতা,কলম দিয়ে জোসনারাতের কথাগুলো অনুবাদ করতে পারি, এর বাইরে
আমি ছিলাম শুন্য । আর তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার, কিছু দিনের মাঝেই প্রমোশনের ধাক্কায় প্রফেসার হয়ে যাবে। তাই…তোমার কাছ থেকে সরে আসতে চাইলাম।
হয়তোবা আমি হাওয়া। ধাক্কা দিচ্ছি বসন্ত-জঙ্গলে গাছের শুকনো পাতায়। গুপ্তকথা হয় , আদতে বৃক্ষের সংগে। আমি মানুষের ছদ্মবেশে থাকি।আসলে কী আমি তাই ? ধাঁধার মতন লাগে, এই হয় এই নয়, কোনখানে ঠাঁই ? বাঁধন ছিড়ে নিতে কাঁপে প্রাণ; আমিও ভুলেই যাই — প্রায়শই ভুলে থাকি — আছি
তোমার হাত ধরে চোখে চোখ রেখে মনে হয়, জন্মান্তর হতে তোমাকে ভালবেসেছি।
তারও চোখে জ্বলে ওঠে প্রেম, তারও ঠোঁটে হাসির স্রোতধারা। মেঘের ওপার থেকে কে যেন অভিনন্দন
জানালো ফুলপাহাড়ে যাত্রা শুরু হলো। গলছে যেদিকে মোমের প্রাসাদ। জঙ্গলেই সন্ধ্যামালতী আর এক পুষ্পাগ্নির মতো নারীর লাভা। কৃষ্ণলয়ে ফুটছে ধীরে সুন্দর চাদ।
তোমার চুলে নিরুত্তাপ স্মরণসভার গন্ধ , তুমি গলায় ফাস দিয়েছো। নিতর-নিস্তব্ধ তোমার দেহ, আগের সেই হাসি মুখে লেগে আছে। তোমার সতিত্ব কেড়ে নিছে ওরা-জানোয়ারের দল। এখন কুঠুরি, দরজা-জানালা বন্ধ,
কবরস্থানে তুমি একা থাকতে পারবে ? তোমার ডান চোখদিয়ে একটি ঘুরানো সিঁড়ি উপরে উঠতে-উঠতে হারিয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে তোমার মুখে একটি চিৎকার জমে বরফ হয়ে আছে । তুমি ক্ষমা করে দিও-আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না।
মুগ্ধতা সেতো তোমারই জন্যে ; সম্পূর্ণ ফুটেও নারী, ক্লাসিক্যালি অস্ফূট…।
যোগ্যতা,কলম দিয়ে জোসনারাতের কথাগুলো অনুবাদ করতে পারি, এর বাইরে
আমি ছিলাম শুন্য । আর তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার, কিছু দিনের মাঝেই প্রমোশনের ধাক্কায় প্রফেসার হয়ে যাবে। তাই…তোমার কাছ থেকে সরে আসতে চাইলাম।
হয়তোবা আমি হাওয়া। ধাক্কা দিচ্ছি বসন্ত-জঙ্গলে গাছের শুকনো পাতায়। গুপ্তকথা হয় , আদতে বৃক্ষের সংগে। আমি মানুষের ছদ্মবেশে থাকি।আসলে কী আমি তাই ? ধাঁধার মতন লাগে, এই হয় এই নয়, কোনখানে ঠাঁই ? বাঁধন ছিড়ে নিতে কাঁপে প্রাণ; আমিও ভুলেই যাই — প্রায়শই ভুলে থাকি — আছি
তোমার হাত ধরে চোখে চোখ রেখে মনে হয়, জন্মান্তর হতে তোমাকে ভালবেসেছি।
তারও চোখে জ্বলে ওঠে প্রেম, তারও ঠোঁটে হাসির স্রোতধারা। মেঘের ওপার থেকে কে যেন অভিনন্দন
জানালো ফুলপাহাড়ে যাত্রা শুরু হলো। গলছে যেদিকে মোমের প্রাসাদ। জঙ্গলেই সন্ধ্যামালতী আর এক পুষ্পাগ্নির মতো নারীর লাভা। কৃষ্ণলয়ে ফুটছে ধীরে সুন্দর চাদ।
তোমার চুলে নিরুত্তাপ স্মরণসভার গন্ধ , তুমি গলায় ফাস দিয়েছো। নিতর-নিস্তব্ধ তোমার দেহ, আগের সেই হাসি মুখে লেগে আছে। তোমার সতিত্ব কেড়ে নিছে ওরা-জানোয়ারের দল। এখন কুঠুরি, দরজা-জানালা বন্ধ,
কবরস্থানে তুমি একা থাকতে পারবে ? তোমার ডান চোখদিয়ে একটি ঘুরানো সিঁড়ি উপরে উঠতে-উঠতে হারিয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে তোমার মুখে একটি চিৎকার জমে বরফ হয়ে আছে । তুমি ক্ষমা করে দিও-আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারলাম না।
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।