মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ

জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ। ধন্য হল ধন্য হল মানবজীবন। নয়ন আমার রূপের পুরে সাধ মিটায়ে বেড়ায় ঘুরে, শ্রবণ আমার গভীর সুরে হয়েছে মগন। তোমার যজ্ঞে দিয়েছ ভার বাজাই আমি বাঁশি। গানে গানে গেঁথে বেড়াই প্রাণে...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শূন্য ঝুলি নিয়ে হায়

শূন্য ঝুলি নিয়ে হায় ভিক্ষু মিছে ফেরে, আপনারে দেয় যদি পায় সকলেরে। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শূন্য ছিল মন

না-কোলাহলে-ঢাকা নানা-আনাগোনা-আঁকা দিনের মতন। নানা-জনতায়-ফাঁকা কর্মে-অচেতন শূন্য ছিল মন। জানি না কখন এল নূপুরবিহীন নিঃশব্দ গোধূলি। দেখি নাই স্বর্ণরেখা কী লিখিল শেষ লেখা দিনান্তের তুলি। আমি যে ছিলাম একা...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শূন্য পাতার অন্তরালে

শূন্য পাতার অন্তরালে লুকিয়ে থাকে বাণী, কেমন করে আমি তারে বাইরে ডেকে আনি। যখন থাকি অন্যমনে দেখি তারে হৃদয়কোণে, যখন ডাকি দেয় সে ফাঁকি— পালায় ঘোমটা টানি। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চাও যদি সত্যরূপে

চাও যদি সত্যরূপে দেখিবারে মন্দ– ভালোর আলোতে দেখো, হোয়ো নাকো অন্ধ। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জীবনরহস্য যায়

জীবনরহস্য যায় মরণরহস্য-মাঝে নামি, মুখর দিনের আলো নীরব নক্ষত্রে যায় থামি। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষ বেলা

এল বেলা পাতা ঝরাবারে; শীর্ণ বলিত কায়া, আজ শুধু ভাঙা ছায়া মেলে দিতে পারে। একদিন ডাল ছিল ফুলে ফুলে ভরা নানা-রঙ-করা। কুঁড়ি ধরা ফলে কার যেন কী কৌতূহলে উঁকি মেরে আসা খুঁজে নিতে আপনার বাসা। ঋতুতে ঋতুতে আ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষ বসন্তরাত্রে

শেষ বসন্তরাত্রে যৌবনরস রিক্ত করিনু বিরহবেদনপাত্রে। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষ খেয়া

দিনের শেষে ঘুমের দেশে ঘোমটা-পরা ওই ছায়া ভুলালো রে ভুলালো মোর প্রাণ। ও পারেতে সোনার কূলে আঁধারমূলে কোন্ মায়া গেয়ে গেল কাজ-ভাঙানো গান। নামিয়ে মুখ চুকিয়ে সুখ যাবার মুখে যায় যারা ফেরার পথে ফিরেও নাহ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শেষ চিঠি

মনে হচ্ছে শূন্য বাড়িটা অপ্রসন্ন, অপরাধ হয়েছে আমার তাই আছে মুখ ফিরিয়ে। ঘরে ঘরে বেড়াই ঘুরে, আমার জায়গা নেই-- হাঁপিয়ে বেরিয়ে চলে আসি। এ বাড়ি ভাড়া দিয়ে চলে যাব দেরাদুনে। অমলির ঘরে ঢুকতে পারি নি বহুদিন মোচ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...