মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

চিত্ত তোমায় নিত্য হবে

আমার চিত্ত তোমায় নিত্য হবে সত্য হবে - ওগো সত্য, আমার এখন সুদিন। ঘটবে কবে। সত্য সত্য সত্য জপি, সকল বুদ্ধি সত্যে সঁপি, সীমার বাঁধন পেরিয়ে যাব নিখিল ভবে - সত্য তোমার পূর্ণ প্রকাশ দেখব কবে। তোমায় দূরে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চিরায়মানা

যেমন আছ তেমনি এসো, আর কোরো না সাজ। বেণী নাহয় এলিয়ে রবে, সিঁথি নাহয় বাঁকা হবে, নাই-বা হল পত্রলেখায় সকল কারুকাজ। কাঁচল যদি শিথিল থাকে নাইকো তাহে লাজ। যেমন আছ তেমনি এসো, আর করো না সাজ।। এসো দ্রুত চরণ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সর্দিকে সোজাসুজি সর্দি ব’লেই বুঝি

সর্দিকে সোজাসুজি সর্দি ব’লেই বুঝি মেডিকেল বিজ্ঞান না শিখে। ডাক্তার দেয় শিষ, টাকা নিয়ে পঁয়ত্রিশ ভাবনায় গেল ঘুম, ওষুধের লাগে ধুম, শঙ্কা লাগালো পারিভাষিকে। আমি পুরাতন পাপী, শুনেই কাঁপি, ডরিনেকো সাদাসিধে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সাঙ্গ হয়েছে রণ

সাঙ্গ হয়েছে রণ। অনেক যুঝিয়া অনেক খুঁজিয়া শেষ হল আয়োজন। তুমি এসো এসো নারী, আনো তব হেমঝারি। ধুয়ে-মুছে দাও ধূলির চিহ্ন, জোড়া দিয়ে দাও ভগ্ন-ছিন্ন, সুন্দর করো সার্থক করো পুঞ্জিত আয়োজন। এসো সুন্দরী নারী, শি...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সম্মিলন

সেথায় কপোত-বধূ লতার আড়ালে দিবানিশি গাহে শুধু প্রেমের বিলাপ । নবীন চাঁদের করে একটি হরিণী আমাদের গৃহদ্বারে আরামে ঘুমায় । তার শান্ত নিদ্রাকালে নিশ্বাস পতনে প্রহর গণিতে পারি স্তব্ধ রজনীর । সুখের আবাসে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জন্মদিন আসে বারে বারে

জন্মদিন আসে বারে বারে মনে করাবারে— এ জীবন নিত্যই নূতন প্রতি প্রাতে আলোকিত পুলকিত দিনের মতন। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চাই গো আমি তোমারে চাই

চাই গো আমি তোমারে চাই তোমায় আমি চাই– এই কথাটি সদাই মনে বলতে যেন পাই। আর যা-কিছু বাসনাতে ঘুরে বেড়াই দিনে রাতে মিথ্যা সে-সব মিথ্যা ওগো তোমায় আমি চাই। রাত্রি যেমন লুকিয়ে রাখে আলোর প্রার্থনাই– তেমনি গভীর ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শ্যামল ঘন বকুলবন

শ্যামল ঘন বকুলবন- ছায়ে ছায়ে যেন কী সুর বাজে মধুর পায়ে পায়ে। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চিরজনমের বেদনা

চিরজনমের বেদনা, ওহে চিরজীবনের সাধনা। তোমার আগুন উঠুক হে জ্বলে, কৃপা করিয়ো না দুর্বল ব’লে, যত তাপ পাই সহিবারে চাই, পুড়ে হোক ছাই বাসনা। অমোঘ যে ডাক সেই ডাক দাও আর দেরি কেন মিছে। যা আছে বাঁধন বক্ষ জড়ায়ে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শ্বশুরবাড়ির গ্রাম

শ্বশুরবাড়ির গ্রাম, নাম তার কুলকাঁটা, যেতে হবে উপেনের– চাই তাই চুল-ছাঁটা। নাপিত বললে, “কাঁচি খুঁজে যদি পাই বাঁচি– ক্ষুর আছে, একেবারে করে দেব মূল-ছাঁটা। জেনো বাবু, তাহলেই বেঁচে যায় ভুল-ছাঁটা।’ (খাপছাড়া ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...