মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

সখিরে—পিরীত বুঝবে কে

সখিরে— পিরী ত বুঝবে কে ? অঁধার হৃদয়ক দুঃখ কাহিনী বোলব , শুনবে কে ? রাধিকার অতি অন্তর বেদন কে বুঝবে অয়ি সজনী কে বুঝবে সখি রোয়ত রাধা কোন দুখে দিন রজনী ? কলঙ্ক রটায়ব জনি সখি রটাও কলঙ্ক নাহিক মানি , স...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সজনি গো শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা

সজনি গো , শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা নিশীথযামিনী রে । কুঞ্জপথে সখি , কৈসে যাওব অবলা কামিনী রে । উন্মদ পবনে যমুনা তর্জিত , ঘন ঘন গর্জিত মেহ । দমকত বিদ্যুত , পথতরু লুন্ঠত , থরহর কম্পত দেহ । ঘন ঘন রিম্‌ ঝিম্‌ র...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রথম পূজা

ত্রিলোকেশ্বরের মন্দির। লোকে বলে স্বয়ং বিশ্বকর্মা তার ভিত-পত্তন করেছিলেন কোন্ মান্ধাতার আমলে, স্বয়ং হনুমান এনেছিলেন তার পাথর বহন করে। ইতিহাসের পণ্ডিত বলেন, এ মন্দির কিরাত জাতের গড়া, এ দেবতা কিরাতের। এক...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মূল

আগা বলে, আমি বড়ো, তুমি ছোটো লোক। গোড়া হেসে বলে, ভাই, ভালো তাই হোক। তুমি উচ্চে আছ ব’লে গর্বে আছ ভোর, তোমারে করেছি উচ্চ এই গর্ব মোর। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বন-ফুল (দ্বিতীয় সর্গ)

যেও না! যেও না! দুয়ারে আঘাত করে কে ও পান্থবর? ‘কে ওগো কুটীরবাসি ! দ্বার খুলে দাও আসি! ’ তবুও কেন রে কেউ দেয় না উত্তর? আবার পথিকবর আঘাতিল ধীরে! “বিপন্ন পথিক আমি, কে আছে কুটিরে?” তবুও উত্তর নাই, নীরব ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মোহ (কণিকা কাব্যগ্রন্থ)

নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মাঝে মাঝে বিধাতার ঘটে একি ভুল

মাঝে মাঝে বিধাতার ঘটে একি ভুল– ধান পাকাবার মাসে ফোটে বেলফুল। হঠাৎ আনাড়ি কবি তুলি হাতে আঁকে ছবি, অকারণে কাঁচা কাজে পেকে যায় চুল। (খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

হে তরু, এ ধরাতলে

হে তরু, এ ধরাতলে রহিব না যবে তখন বসন্তে নব পল্লবে পল্লবে তোমার মর্মরধ্বনি পথিকেরে কবে, "ভালো বেসেছিল কবি বেঁচে ছিল যবে।" (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্বদেশদ্বেষী

কেঁচো কয়, নীচ মাটি, কালো তার রূপ। কবি তারে রাগ ক’রে বলে, চুপ চুপ! তুমি যে মাটির কীট, খাও তারি রস, মাটির নিন্দায় বাড়ে তোমারি কি যশ! (কণিকা কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাল যবে সন্ধ্যাকালে বন্ধুসভাতলে

কাল যবে সন্ধ্যাকালে বন্ধুসভাতলে গাহিতে তোমার গান কহিল সকলে সহসা রুধিয়া গেল হৃদয়ের দ্বার– যেথায় আসন তব, গোপন আগার। স্থানভেদে তব গান– মূর্তি নব নব– সখাসনে হাস্যোচ্ছ্বাস সেও গান তব, প্রিয়াসনে প্রিয়ালাপ, ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...