অমর-কানন
এই কবিতাটি লিখেছেন নজরুল ইসলাম · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
অমর কানন
মোদের অমর-কানন!
বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন,
আমাদের তপোবন।
এর দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়,
তার কূলে কূলে শালবীথি ফুলে ফুলময়,
হেথা ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়,
হেথামহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।
দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস,
দুধহাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস,
উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ,
বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ
মোরানিজ হাতে মাটি কাটি, নিজে ধরি হাল,
সদাখুশিভরা বুক হেথা হাসিভরা গাল,
মোরাবাতাস করি গো ভেঙে হরিতকি-ডাল,
হেথাশাখায় শাখায় শাখী, গানের মাতন।
প্রহরী মোদের ভাই ‘পুরবি’ পাহাড়,
‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিমি দ্বার,
ওড়েউত্তরে উত্তরি কাননবিথার,
দূরে ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালী-বন।
হেথাখেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রান,
হেথাপ্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ,
ও রেরাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান,
মোরা নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।
মোরাবটের ছায়ায় বসি করি গীতাপাঠ,
আমাদের পাঠশালা চাষি-ভরা মাঠ,
গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট,
ঘরে ঘরে ভাইবোন বন্ধুস্বজন।
(ছায়ানট কাব্যগ্রন্থ)
মোদের অমর-কানন!
বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন,
আমাদের তপোবন।
এর দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়,
তার কূলে কূলে শালবীথি ফুলে ফুলময়,
হেথা ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়,
হেথামহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।
দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস,
দুধহাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস,
উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ,
বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ
মোরানিজ হাতে মাটি কাটি, নিজে ধরি হাল,
সদাখুশিভরা বুক হেথা হাসিভরা গাল,
মোরাবাতাস করি গো ভেঙে হরিতকি-ডাল,
হেথাশাখায় শাখায় শাখী, গানের মাতন।
প্রহরী মোদের ভাই ‘পুরবি’ পাহাড়,
‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিমি দ্বার,
ওড়েউত্তরে উত্তরি কাননবিথার,
দূরে ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালী-বন।
হেথাখেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রান,
হেথাপ্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ,
ও রেরাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান,
মোরা নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।
মোরাবটের ছায়ায় বসি করি গীতাপাঠ,
আমাদের পাঠশালা চাষি-ভরা মাঠ,
গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট,
ঘরে ঘরে ভাইবোন বন্ধুস্বজন।
(ছায়ানট কাব্যগ্রন্থ)
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।