চতুর্দশপদী কবিতাবলী - ১০০
এই কবিতাটি লিখেছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
পরিকল্পনা, এই গ্রন্থ তাকে আপাদমস্তক
ডোবাবে অক্ষরে, জলে — শব্দ হবে সাক্ষাৎ তরণী
ভরসার পারাপার দেখাবে যে নিশ্চিত আপন
ভেসে যাওয়া পাল তুলে, ঝংকার, ঝড়ের মুখোমুখি!
পিছনের জানলা এই গ্রন্থ, তাকে আজন্মসম্প্রতি
দেখাবে বিমূঢ়, রূঢ়, লেলিহান জিহ্বা ও জীবনী
বস্তুত কবির— এই ভালোবাসা, ভালোবাসতে যাওয়া
এবং যা কিছু, যাকে শাস্ত্রে বলে : খেদ ও ক্রন্দন।
আনন্দও কম নেই, পাংশু নিরানন্দ বঙ্গভূমে —
দুঃখ ও গ্রীষ্মকে করে নম্র নীল বাংলার বর্ষণ
তখন, সম্পর্কহীনা স্বপ্নে ওঠে মন্দিরা বাজিয়ে
যায় কবি, কবিতার মন্দিরে সতর্ক পুস্প দিতে;
পার্বণের দিনে এলো সম্ভবত, সহসা বিদায়
জানাতে, সর্বস্ব ছিলো— এইমাত্র স্বর্গে গেলো চলে॥
কাব্যগ্রন্থ
'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।