মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ kobita

আমাকে সেই সঙ্গে

আমাকে সেই সঙ্গে যদি ডুবিয়ে দিতে তাহলে আর এমনি দুহাত শূন্য, ফাঁকায় চলতে থাকা ঘটতো না আর আমাকে সেই সঙ্গে যদি ডুবিয়ে দিতে! তোমার মতন একলষেঁড়ে,নিরতিশয় ইচ্ছে -সাঁতার দিচ্ছো এখন,ও চাঁদ সাক্ষী আমায় কিছু আপ্ত...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

সহজ

এতো কঠিন পাথর ভেঙে করলে তুমি সহজ নদী তোমার হাতে যাদুদণ্ড- সুসময়ের সঙ্গে আসো। সঙ্গে চলো : এই কথাটি তুমি আমায় বললে যদি--- তোমার সঙ্গে আকাশ-পাতাল ; বললে আজো ভালোই বাসো। কতোকালের ইচ্ছে ছিলো তোমার সঙ্গে কই...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি

মনে পড়ে স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি রাজপথ ধ’রে ক্রমাগত সাইকেল ঘন্টির মতো চলে গেছে, পথিক সাবধান… শুধু স্বেচ্ছাচারী আমি, হাওয়া আর ভিক্ষুকের ঝুলি যেতে-যেতে ফিরে চায়, কুড়োতে-কুড়োতে দেয় ফেলে যেন তুমি, আলস্যে এলে ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

চতুর্দশপদী কবিতাবলী —৪০

যেবার ওদের সঙ্গে যেতে হলো বেড়াতে পশ্চিমে — মানুষ বেড়ায় ! তাই বহুদিন সাহাবাবুদের কালাে ছেলেটির কাছে ছিলে তুমি, মােটে ফরসা নয় আমার মতন, আহা প্লাতেরাে, তােমারই কষ্ট হলাে! পশ্চিমের থেকে কিছু ঘাস আমি ত...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

পার্শ্ব চরিত্র

অরণ্যের মতো তোর নোটন পায়রাকে ঢেকে রাখি। অন্ধকার জলে দুটি বাহু ফেরে মাছের মতন, হিংস্র শীতল হাসি শৃগালের মুখ থেকে গলে কাঁপায় সর্বত্র শাস্তি। পরিতৃপ্ত রাত্রেও পাগলে অঙ্ক কষে নাজেহাল। আমি তোর চন্দনের বন...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

বিষম চিন্তা

মাথায় কত প্রশ্ন আসে, দিচ্ছে না কেউ জবাব তার— সবাই বলে “মিথ্যে বাজে বকিস নে আর খবরদার!” অমন ধারা ধমক দিলে কেমন করে শিখব সব? বলবে সবাই, “মুখ্যু ছেলে”, বলবে আমায় “গো-গর্দভ!” কেউ কি জানে দিনের বেলায় কো...

সুকুমার রায়

এখন, ছুটির দিনে

এখন, ছুটির দিনে ভালােবাসা ভিড় করে আসে একদিন আসতাে না, আমি ছড়িয়ে পা বসেছিলাম ঘাসে যেন এক কলঙ্কী মেয়ে, মেঘ দেখে হতাে বারমুখী ... এখন, ছুটির দিনে ভালােবাসা ভিড় করে আসে একাকী আসে না, তার ভয় করে, কে ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

নেড়া বেলতলায় যায় কবার?

রোদে রাঙা ইঁটের পাঁজা তার উপরে বসল রাজা— ঠোঙাভরা বাদামভাজা খাচ্ছে কিন্তু গিলছে না৷ গায়ে আঁটা গরম জামা পুড়ে পিঠ হচ্ছে ঝামা; রাজা বলে, 'বৃষ্টি নামা— নইলে কিচ্ছু মিলছে না৷' থাকে সারা দুপুর ধ'রে ব'সে ব'...

সুকুমার রায়

প্রভাতে বিদায়

সঙ্কীর্ণ তীরের সীমা সাগরে ঘিরেছে একেবারে; সমুজ্জ্বল সূর্যালোক দেখা যায় শৈল-পরপারে, সরল সে পথখানি, তার লাগি স্বর্ণালোক ভরা- আর মোর লাগি-কোথা কর্মময় লোকময় ধরা!...

যতীন্দ্রমোহন বাগচী

ক্ষ্যাপা

(বাউল) ওরে ক্ষ্যাপা, যদি প্রাণ দিতে চাস্- এই বেলা তুই দিয়ে দে না; ওরে, মানের তরে প্রাণটি দেবার এমন সুযোগ আর হবে না! যখন, দু-দিন আগে দু-দিন পরে- তফাৎ মাত্র এই, তখন অমূল্য এই মানবজীবন বৃথায় দিতে নেই- (ও...

যতীন্দ্রমোহন বাগচী

Loading...