আলেখ্য
এই কবিতাটি লিখেছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
বাহিরে যত অন্ধকার ভালােবাসার দুর্গ ভেবেছিলাম
হৃদয় এ কী স্ফটিক ফ্যালাে চতুর্দিকে বিচ্ছুরিত আলাে
বাহুবিলীন প্রচ্ছায়া সে ছায়ার সতীন, গােপনে যাহা দিলাম…
লুটায় ফুল লুটায় মালা অবহেলার দলিত দান কালাে
ভেবেছিলাম ভ্রান্ত নয় দুর্গরেখা কলঙ্কিনী কালাে
মায়ার ছলে ভেবেছিলাম স্বভাবমতাে সাজাবাে ফুলমালে
তুমি আলােয় ভয় রেখাে না, কেমন প্রেমে বাসতে পারে ভালাে
কখন হলে বাহুবিলীন কখন ছায়া লুটালাে তব ডালে
চিরদিনের স্ফটিক আমার যমজ, তােমার সন্নিহিত সখা
ফুল দিলাম নাইবা নিলে অভিমানের চিহ্ন দিলাম নাও
পুনবার তুলেছি দ্যাখাে আকাশলেখ তীক্ষ কনীনিকা
অনুচ্চ দান নাই-বা নিলে অহংকারের স্পর্শ নিয়ে যাও
ফোটে না কেন রামধনুর মঞ্জুলতা অনন্য এই মুখে
গরিষ্ঠ এক স্ফটিক জ্বলে ভয় রেখাে না, না-হয় নিলে দান
ভ্রান্ত বহির্দুৰ্গরেখা সামান্য ফুল দাও হে পরান্মুখে
ক্ষণিক মৃদু দৃষ্টিপাতমালায় করি মুগ্ধতম স্নান॥
কাব্যগ্রন্থ --
"হে প্রেম হে নৈঃশব্দ্য"
[কবিতা পত্রিকা ॥ চৈত্র ১৩৬৫ ]
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।