মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

জুতা-আবিষ্কার

কহিলা হবু, `শুন গো গোবুরায়, কালিকে আমি ভেবেছি সারা রাত্র--- মলিন ধূলা লাগিবে কেন পায় ধরণী-মাঝে চরণ-ফেলা মাত্র! তোমরা শুধু বেতন লহ বাঁটি, রাজার কাজে কিছুই নাহি দৃষ্টি। আমার মাটি লাগায় মোরে মাটি, রাজ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জীবনের দীপে তব

জীবনের দীপে তব আলোকের আশীর্বচন আঁধারের অচৈতন্যে সঞ্চিত করুক জাগরণ। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিরুদ্যম অবকাশ শূন্য শুধু

নিরুদ্যম অবকাশ শূন্য শুধু, শান্তি তাহা নয়— যে কর্মে রয়েছে সত্য তাহাতে শান্তির পরিচয়। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এসো হে এসো সজল ঘন বাদলবরিষনে

এসো হে এসো, সজল ঘন, বাদলবরিষনে– বিপুল তব শ্যামল স্নেহে এসো হে এ জীবনে। এসো হে গিরিশিখর চুমি, ছায়ায় ঘিরি কাননভূমি– গগন ছেয়ে এসো হে তুমি গভীর গরজনে। ব্যথিয়ে উঠে নীপের বন পুলকভরা ফুলে। উছলি উঠে কলরোদন নদ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এসে মোর কাছে

"এসে মোর কাছে" শুকতারা গাহে গান। প্রদীপের শিখা নিবে চ’লে গেল, মানিল সে আহ্বান। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ওড়ার আনন্দে পাখি

ওড়ার আনন্দে পাখি শূন্যে দিকে দিকে বিনা অক্ষরের বাণী যায় লিখে লিখে। মন মোর ওড়ে যবে জাগে তার ধ্বনি, পাখার আনন্দ সেই বহিল লেখনী। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কীর্তি যত গড়ে তুলি

কীর্তি যত গড়ে তুলি ধূলি তারে করে টানাটানি। গান যদি রেখে যাই তাহারে রাখেন বীণাপাণি। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ওগো মৌন, না যদি কও

ওগো মৌন, না যদি কও না-ই কহিলে কথা। বক্ষ ভরি বইব আমি তোমার নীরবতা। স্তব্ধ হয়ে রইব পড়ে, রজনী রয় যেমন করে জ্বালিয়ে তারা নিমেষহারা ধৈর্যে অবনতা। হবে হবে প্রভাত হবে আঁধার যাবে কেটে। তোমার বাণী সোনার ধারা প...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের

নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের রসপাত্রগুলি আনিল এ শয্যাতলে জনহীন প্রভাতের রবির মিত্রতা, অজানা নির্ঝরিণীর বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছটার হিরন্ময় লিপি, সুনিবিড় অরণ্যবীথির নিঃশব্দ মর্মরে বিজড়িত স্নিগ্ধ হৃদয়ের দৌত্য...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মিলনদৃশ্য

হেসো না, হেসো না তুমি বুদ্ধি-অভিমানী! একবার মনে আনো ওগো ভেদজ্ঞানী, সে মহাদিনের কথা, যবে শকুন্তলা বিদায় লইতেছিল স্বজনবৎসলা জন্মতপোবন হতে—সখা সহকার, লতাভগ্নী মাধবিকা, পশুপরিবার, মাতৃহারা মৃগশিশু, মৃগী গ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...