মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

আজ গড়ি খেলাঘর

আজ গড়ি খেলাঘর, কাল তারে ভুলি— ধূলিতে যে লীলা তারে মুছে দেয় ধূলি। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

না জানি কারে দেখিয়াছি

না জানি কারে দেখিয়াছি, দেখেছি কার মুখ। প্রভাতে আজ পেয়েছি তার চিঠি। পেয়েছি তাই সুখে আছি, পেয়েছি এই সুখ– কারেও আমি দেখাব নাকো সেটি। লিখন আমি নাহিকো জানি– বুঝি না কী যে রয়েছে বাণী– যা আছে থাক্‌ আমার থাক্...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ডাকো ডাকো ডাকো আমারে

ডাকো ডাকো ডাকো আমারে, তোমার স্নিগ্ধ শীতল গভীর পবিত্র আঁধারে। তুচ্ছ দিনের ক্লান্তি গ্লানি দিতেছে জীবন ধুলাতে টানি, সারাক্ষণের বাক্যমনের সহস্র বিকারে। মুক্ত করো হে মুক্ত করো আমারে, তোমার নিবিড় নীরব উদার...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

টাকা সিকি আধুলিতে

টাকা সিকি আধুলিতে ছিল তার হাত জোড়া; যে-সাহসে কিনেছিল পান্তোয়া সাত ঝোড়া। ফুঁকে দিয়ে কড়াকড়ি শেষে হেসে গড়াগড়ি; ফেলে দিতে হল সব– আলুভাতে পাত-জোড়া। (খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তখন আমার আয়ুর তরণী

শ্রীযুক্ত প্রমথনাথ চৌধুরী কল্যাণীয়েষু তখন আমার আয়ুর তরণী যৌবনের ঘাট গেছে পেরিয়ে। যে-সব কাজ প্রবীণকে প্রাজ্ঞকে মানায় তাই নিয়ে পাকা করছিলেম পাকা চুলের মর্যাদা। এমন সময়ে আমাকে ডাক দিলে তোমার সবুজপত...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তখন আমার বয়স ছিল সাত

তখন আমার বয়স ছিল সাত। ভোরের বেলায় দেখতেম জানলা দিয়ে অন্ধকারের উপরকার ঢাকা খুলে আসছে, বেরিয়ে আসছে কোমল আলো নতুন-ফোটা কাঁটালিচাঁপার মতো। বিছানা ছেড়ে চলে যেতেম বাগানে কাক ডাকবার আগে, পাছে বঞ্চিত হই ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মুক্তপথে

বাঁকাও ভুরু দ্বারে আগল দিয়া, চক্ষু করো রাঙা, ঐ আসে মোর জাত-খোয়ানো প্রিয়া ভদ্র-নিয়ম-ভাঙা। আসন পাবার কাঙাল ও নয় তো আচার-মানা ঘরে- আমি ওকে বসাব হয়তো ময়লা কাঁথার 'পরে। সাবধানে রয় বাজার-দরের খোঁজে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নাম তার ডাক্তার ময়জন

নাম তার ডাক্তার ময়জন। বাতাসে মেশায় কড়া পয়জন। গণিয়া দেখিল, বড়ো বহরের একখানা রীতিমতো শহরের টিঁকে আছে নাবালক নয়জন। খুশি হয়ে ভাবে, এই গবেষণা না জানি সবার কবে হবে শোনা, শুনিতে বা বাকি রবে কয়জন। (খাপছাড়া কা...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আছি আমি বিন্দুরূপে, হে অন্তরযামী

আছি আমি বিন্দুরূপে, হে অন্তরযামী আছি আমি বিশ্বকেন্দ্রস্থলে। “আছি আমি’ এ কথা স্মরিলে মনে মহান্‌ বিস্ময় আকুল করিয়া দেয়,স্তব্ধ এ হৃদয় প্রকাণ্ড রহস্যভারে। “আছি আর আছে’ অন্তহীন আদি প্রহেলিকা, কার কাছে শুধা...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কত দিবা কত বিভাবরী

কত দিবা কত বিভাবরী কত নদী নদে লক্ষ স্রোতের মাঝখানে এক পথ ধরি, কত ঘাটে ঘাটে লাগায়ে, কত সারিগান জাগায়ে, কত অঘ্রানে নব নব ধানে কতবার কত বোঝা ভরি কর্ণধার হে কর্ণধার, বেচে কিনে কত স্বর্ণভার কোন্‌ গ্রামে আজ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...