নাগকেশর
এই কবিতাটি লিখেছেন যতীন্দ্রমোহন বাগচী · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
চিত্ততলে যে নাগবালা ছড়িয়ে-ছিঁড়ে কেশের কেশর কাঁদছে-
অফুরন্ত অশ্রুধারায় সহস্রবার নাসার বেশর বাঁধছে; মানিকহারা পাগলপারা যে বেদনা বাজছে তাহার বক্ষে, পলে-পলে পলক বেয়ে অলক ছেয়ে ঝরছে যাহা চক্ষে; দুঃখে-ভাঙা বক্ষে যাহা নিশ্বসিয়া সকাল-সাঁঝে টুটছে-মহাকালের সোপানতলে নাগকেশরের ফুল হয়ে তাই ফুটছে।
মনপাতালে যে নাগবালা রতন-জ্বালা কক্ষে বসে হাসছে-দীপ্তি যাহার নেত্রপথে শুভ্র-শুচি দৃষ্টি হয়ে আসছে; মুক্তামানিক সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়ে উল্লাসে যে চঞ্চল, উদ্বেলিত সিন্ধুসম দুলছে যাহার উচ্ছ্বসিত অঞ্চল; বিশ্বভুবন পূর্ণ করে যে আনন্দ শঙ্খস্বরে উঠেছে-মহাকালের সোপনতলে নাগকেশরের ফুল হয়ে তাই ফুটছে!
তাই দিয়ে আজ পূজব তোমায় ভস্মভূষণ হে আশুতোষ ব্যোমকেশ!
নাগকেশরের অর্ঘ্যে আজি কর হে শিব অক্ষি তব উন্মেষ। দুঃখ-সুখের বক্ষে পড়ুক উদার তব চন্দ্রকলার দীপ্তি, জটাজালের ঝাপ্টা লেগে অশ্রুজলের তর্পণে হোক তৃপ্তি। নাগ যে তোমার কণ্ঠভূষা, কেশর তব আষাঢ়-মেঘের কান্তি; প্রসাদী-ফুল নাগকেশরে ছড়িয়ে দিলাম-শিবের প্রসাদ শান্তি।
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।