মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

পক্ষীমানব

যন্ত্রদানব, মানবে করিলে পাখি। স্থল জল যত তার পদানত আকাশ আছিল বাকি। বিধাতার দান পাখিদের ডানাদুটি। রঙের রেখায় চিত্রলেখায় আনন্দ উঠে ফুটি; তারা যে রঙিন পান্থ মেঘের সাথি। নীল গগনের মহাপবনের যেন তারা একজা...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পদ্মায়

আমার নৌকো বাঁধা ছিল পদ্মানদীর পারে, হাঁসের পাঁতি উড়ে যেত মেঘের ধারে ধারে-- জানিনে মন-কেমন-করা লাগত কী সুর হাওয়ার আকাশ বেয়ে দূর দেশেতে উদাস হয়ে যাওয়ার। কী জানি সেই দিনগুলি সব কোন্‌ আঁকিয়ের লেখা, ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গানের জাল

দেবে তুমি কখন নেশায় পেয়ে আপন-মনে যাও চলে গান গেয়ে। যে আকাশের সুরের লেখা লেখ কুঝি না তা, কেবল রহি চেয়ে। হৃদয় আমার অদৃশ্যে যায় চলে, প্রতিদিনের ঠিকঠিকানা ভোলে- মৌমাছিরা আপনা হারায় যেন গন্ধের পথ বে...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খুব তার বোলচাল

খুব তার বোলচাল, সাজ ফিট্‌ফাট্‌, তক্‌রার হলে আর নাই মিট্‌মাট্‌। চশমায় চম্‌কায়, আড়ে চায় চোখ– কোনো ঠাঁই ঠেকে নাই কোনো বড়ো লোক।– (খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেলা

তোমার কটি - তটের ধটি কে দিল রাঙিয়া । কোমল গায়ে দিল পরায়ে রঙিন আঙিয়া । বিহানবেলা আঙিনাতলে এসেছ তুমি কী খেলাছলে , চরণ দুটি চলিতে ছুটি পড়িছে ভাঙিয়া । তোমার কটি - তটের ধটি কে দিল রাঙিয়া । কিসের সুখে সহাস ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেলেনা

ভাবে শিশু, বড়ো হলে শুধু যাবে কেনা বাজার উজাড় করি সমস্ত খেলেনা। বড়ো হলে খেলা যত ঢেলা বলি মানে, দুই হাত তুলে চায় ধনজন-পানে। আরো বড়ো হবে না কি যবে অবহেলে ধরার খেলার হাট হেসে যাবে ফেলে? (কণিকা কাব্যগ্রন্থ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিদ্রিতার চিত্র

মায়ায় রয়েছে বাঁধা প্রদোষ – আঁধার ; চিত্রপটে সন্ধ্যাতারা অস্ত নাহি যায় । এলাইয়া ছড়াইয়া গুচ্ছ কেশভার বাহুতে মাথাটি রেখে রমণী ঘুমায় । চারি দিকে পৃথিবীতে চিরজাগরণ , কে ওরে পাড়ালে ঘুম তারি মাঝখানে ! কোথা হ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিজের ও সাধারণের

চন্দ্র কহে, বিশ্বে আলো দিয়েছি ছড়ায়ে, কলঙ্ক যা আছে তাহা আছে মোর গায়ে। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পথিক আমি

পথিক আমি। পথ চলতে চলতে দেখেছি পুরাণে কীর্তিত কত দেশ আজ কীর্তি-নিঃস্ব। দেখেছি দর্পোদ্ধত প্রতাপের অবমানিত ভগ্নশেষ, তার বিজয় নিশান বজ্রাঘাতে হঠাৎ স্তব্ধ অট্টহাসির মতো গেছে উড়ে; বিরাট অহংকার হয়েছে সাষ্...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পদ্মের পাতা পেতে অাছে অঞ্জলি

পদ্মের পাতা পেতে অাছে অঞ্জলি রবির করের লিখন ধরিবে বলি। সায়াহে রবি অস্তে নামিবে যবে সে ক্ষণলিখন তখন কোথায় রবে। (স্ফুলিঙ্গ)...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...