রাজইন্দ্রাণী
কবিতাটি তারিখে ফয়সল অভি লিখেছেন · ১ মিনিট পড়ার সময় ·
একটা নিখুঁত হাতের অভিশাপ,
তোমাকে দিলাম রাজইন্দ্রাণী।
এই নগরে এমন কিছু — শহুরের বসবাস
যাদের বুকের চৌকাঠ, “রাজইন্দ্রাণী”
কোন দিন স্পর্শ করতেও পারনি।
সে শহর, যে শহরে শুধুই আমার
আত্মচিৎকার
বিষণ্ণতা
একাকীত্ব আর
ভাললাগা।
রাজইন্দ্রাণী, কয়একটা আঙুলের অভিমান তোমাকে দিলাম
যে অভিমান শুধুই আভিমান নয়, যা কিছু ভাললাগা তার দলিল।
তোমার কেন্দ্রবিন্দু থেকে শেষ রক্ত শিরাটি যেন আমি হয়ে যাই,
এমনটা চাওয়া ছিল “রাজইন্দ্রাণী” ।
কয়একটা দীর্ঘশ্বাসের ভার তোমাকে দিলাম অভাগিনী;
যেখানে, তোমার অনেকে থাকার পরও তুমি খুব একাছিলে।
একবার আমার স্পর্শ ছুঁয়ে, সব ছেড়ে কাছে এসে দেখ
কি দারুণ তীব্র সৌন্দর্যের ভালবাসা নিয়ে,
দু হাত পেতে আছি।
তোমাকে দিলাম রাজইন্দ্রাণী।
এই নগরে এমন কিছু — শহুরের বসবাস
যাদের বুকের চৌকাঠ, “রাজইন্দ্রাণী”
কোন দিন স্পর্শ করতেও পারনি।
সে শহর, যে শহরে শুধুই আমার
আত্মচিৎকার
বিষণ্ণতা
একাকীত্ব আর
ভাললাগা।
রাজইন্দ্রাণী, কয়একটা আঙুলের অভিমান তোমাকে দিলাম
যে অভিমান শুধুই আভিমান নয়, যা কিছু ভাললাগা তার দলিল।
তোমার কেন্দ্রবিন্দু থেকে শেষ রক্ত শিরাটি যেন আমি হয়ে যাই,
এমনটা চাওয়া ছিল “রাজইন্দ্রাণী” ।
কয়একটা দীর্ঘশ্বাসের ভার তোমাকে দিলাম অভাগিনী;
যেখানে, তোমার অনেকে থাকার পরও তুমি খুব একাছিলে।
একবার আমার স্পর্শ ছুঁয়ে, সব ছেড়ে কাছে এসে দেখ
কি দারুণ তীব্র সৌন্দর্যের ভালবাসা নিয়ে,
দু হাত পেতে আছি।
লগইন করুন প্রতিক্রিয়া জানাতে
নিউজলেটার
নতুন লেখা সম্পর্কে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
মন্তব্যসমূহ
খুবই গভীরতায় পূর্ণ।
সাখাওয়াৎ আলম চৌধুরী • ২৮/৫/২০২৬
ভালো লেগেছে কবিতাটি।
রিয়াজুল আলম ভূঁইয়া • ২৮/৫/২০২৬
আপনি লগইন করে মন্তব্য করতে পারবেন।