মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ কবিতা

অনিত্যের যত আবর্জনা

অনিত্যের যত আবর্জনা পূজার প্রাঙ্গণ হতে প্রতি ক্ষণে করিয়ো মার্জনা।...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভগ্ন মন্দির

ভাঙা দেউলের দেবতা, তব বন্দনা রচিতে ছিন্ন বীণার তন্ত্রী বিরতা - সন্ধ্যাগগনে ঘোষে না শঙ্খ তোমার আরতিবারতা তব মন্দির স্থিরগম্ভীর ভাঙা দেউলের দেবতা। তব জনহীন ভবনে থেকে থেকে আসে ব্যাকুল গন্ধ নববসন্তপবনে যে...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গণিতে রেলেটিভিটি প্রমাণের ভাবনায়

গণিতে রেলেটিভিটি প্রমাণের ভাবনায় দিনরাত একা ব’সে কাটালো সে পাবনায়– নাম তার চুনিলাল, ডাক নাম ঝোড়্‌কে। ১ গুলো সবই ১ সাদা আর কালো কি, গণিতের গণনায় এ মতটা ভালো কি। অবশেষে সাম্যের সামলাবে তোড় কে। একের বহর ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সে তো সে দিনের কথা, বাক্যহীন যবে

সে তো সে দিনের কথা, বাক্যহীন যবে এসেছিনু প্রবাসীর মতো এই ভবে বিনা কোনো পরিচয়, রিক্ত শূন্য হাতে, একমাত্র ক্রন্দন সম্বল লয়ে সাথে। আজ সেথা কী করিয়া মানুষের প্রীতি কণ্ঠ হতে টানি লয় যত মোর গীতি। এ ভুবনে মো...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গর্ব করে নিই নে ও নাম

গর্ব করে নিই নে ও নাম, জান অন্তর্যামী, আমার মুখে তোমার নাম কি সাজে। যখন সবাই উপহাসে তখন ভাবি আমি আমার কণ্ঠে তোমার নাম কি বাজে। তোমা হতে অনেক দূরে থাকি সে যেন মোর জানতে না রয় বাকি, নামগানের এই ছদ্মবেশে...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেয়া

খেয়া নৌকা পারাপার করে নদীস্রোতে, কেহ যায় ঘরে, কেহ আসে ঘর হতে। দুই তীরে দুই গ্রাম আছে জানাশোনা, সকাল হইতে সন্ধ্যা করে আনাগোনা। পৃথিবীতে কত দ্বন্দ্ব কত সর্বনাশ, নূতন নূতন কত গড়ে ইতিহাস, রক্তপ্রবাহের মাঝ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্নেহগ্রাস

অন্ধ মোহবন্ধ তব দাও মুক্ত করি— রেখো না বসায়ে দ্বারে জাগ্রত প্রহরী হে জননী, আপনার স্নেহ-কারাগারে সন্তানেরে চিরজন্ম বন্দী রাখিবারে। বেষ্টন করিয়া তারে আগ্রহ-পরশে, জীর্ণ করি দিয়া তারে লালনের রসে, মনুষ্যত্...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খেলা (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ)

পথের ধারে অশথতলে মেয়েটি খেলা করে ; আপন-মনে আপনি আছে সারাটি দিন ধরে । উপর-পানে আকাশ শুধু , সমুখ-পানে মাঠ , শরৎকালে রোদ পড়েছে , মধুর পথঘাট । দুটি-একটি পথিক চলে , গল্প করে , হাসে । লজ্জাবতী বধূটি গেল ছায়...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চিত্ত আমার হারাল আজ

চিত্ত আমার হারাল আজ মেঘের মাঝখানে, কোথায় ছুটে চলেছে সে কোথায় কে জানে। বিজুলি তা’র বীণার তারে আঘাত করে বারে বারে, বুকের মাঝে বজ্র বাজে কী মহাতানে। পুঞ্জ পুঞ্জ ভারে ভারে নিবিড় নীল অন্ধকারে জড়াল রে অঙ্গ ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্তন

১ নারীর প্রাণের প্রেম মধুর কোমল , বিকশিত যৌবনের বসন্তসমীরে কুসুমিত হয়ে ওই ফুটেছে বাহিরে , সৌরভসুধায় করে পরান পাগল । মরমের কোমলতা তরঙ্গ তরল উথলি উঠেছে যেন হৃদয়ের তীরে । কী যেন বাঁশির ডাকে জগতের প্রেমে ...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Loading...