মূল বিষয়বস্তুতে যান
কবিতা

সমার্থক

মায়া করবো কলঙ্কিনী বৃথাই এখন ভালোবাসতে আসা বৃষ্টি পাঠায় বদল আহা ঝড় ভাসালো শান্ত পাখির বাসা ধুলোয় ধুলোয় দুচোখ অন্ধ নাছদুয়ারে দে দোল বন্ধ পলাশ স্বার্থ পলাশ শুনি শিরায় আগুন জ্বলে বৃষ্টি আমায় ভেজায় না সই কই এসেছো ফাগুন? ওকি ওমন আকাশ তোমার স্তরে স্তরে বয়স্ক মেঘগুলো আমায় প্রতিবিদ্ধে করলে প্রাচীন এবং জীর্ণ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা

যাবো, যেতে হলে ঠিকই যাবো

বাগানে বেগুন, আহা কোন রাঙা তরণী তোমার যদি করো আমি ভেসে যাবো কূলে ও সৈকতে কূলবাসী পাবো, যদি মনে হয়,অরণ্য যাবার প্রয়োজন,তাও যাবো, কিন্তু, কূলে দেবোও প্রণতি কিন্তু যাবো মিথ্যে নয়, যাবো, চলে যেতে হবে বলে,...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা

বিরহে যদি দাঁড়িয়ে ওঠো

আসলে কেউ বড় হয় না, বড়র মতো দেখায়। নকলে আর আসলে তাকে বড়র মতো দেখায়, গাছের কাছে গিয়ে দাঁড়াও, দেখবে কতো ছোটো সোনার তাল তাঙড়ে ধরে পেয়েছো ধুলিমুঠো। ভালোবাসার দীঘিতে কত করেছো অবগাহন, পেয়েছো সুখ দুঃখ আর ছলে ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা

সাময়িকতা

ভেবেছিলাম তােমার বয়স হয়নি, ফুলের বয়স কেননা, আমি তােমায় ফুটতে দেখিনি কোনােদিন মেঘ ফুটেছে, রােদ বৃষ্টি এবং অন্যান্য ফুলগুলাে তােমায় ফুটতে দেখিনি তখনাে বুঝেছি তােমার বয়স হয়নি একদিন রাস্তা দিয়ে যে...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা

চতুর্দশপদী কবিতাবলী - ২৩

আবার জ্যোৎস্নায় ফিরে আসিব কি, আরাে একবার জ্যোৎস্নায়, আঁধারে নয় — অবাস্তব রুপালি জ্যোৎস্নায় আবার আসিব ফিরে? মনে পড়ে, মােটে সত্য নয় এমন মিথ্যারে ভালােবাসিতাম দীর্ঘকাল ধরে। সেই ভালাে হতাে যদি কোনাে...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

কবিতা

শেষ

শেষ অঞ্জলি নিঃশেষ আজি- শেষ সাজি যাহা ভরিবার; পরাজিত এই অপরাজিতার সময় হয়েছে ঝরিবার! অন্তরযামী দেবতা, পুষ্পজীবন বৃথা গেল বহি- কেমনে ভুলিব সে কথা! কুঞ্জ ভরিয়া ধ্বনিয়া উঠিল অপরাজিতার পরাজয়; সুদূরে-আঁধারে ...

যতীন্দ্রমোহন বাগচী

কবিতা

লড়াই-ক্ষ্যাপা

ওই আমাদের পাগলা জগাই, নিত্যি হেথায় আসে; আপন মনে গুন্ গুনিয়ে মুচ্‌কি হাসি হাসে । চলতে গিয়ে হঠাৎ যেন ধমক লেগে থামে; তড়াক্ করে লাফ দিয়ে যায় ডাইনে থেকে বামে। ভীষন রোখে হাত গুটিয়ে সামলে নিয়ে কোচাঁ ...

সুকুমার রায়

কবিতা

বোম্বাগড়ের রাজা

কেউ কি জান সদাই কেন বোম্বাগড়ের রাজা- ছবির ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখে আমসত্ত্ব ভাজা? রানীর মাথায় অষ্টপ্রহর কেন বালিশ বাঁধা? পাঁউরুটিতে পেরেক ঠোকে কেন রানীর দাদা? কেন সেথায় সর্দি হলে ডিগবাজি খায় লোকে? জোছ...

সুকুমার রায়

কবিতা

ভারত-সন্তানের প্রতি

পরাধীন ভারতের, প্রিয়পুত্র যত। ভ্রান্তিরূপ নিদ্রাবশে, রবে আর কত।। ক্রমেতে হইল শূন্য, সুখের কলস। এখনো হরিছ কাল, হইয়া অলস।। উঠ উঠ, শয্যা ছাড়, শুয়ে কেন আর। বাহিরেতে কি হয়েছে, দেখ একবার।। কেন আর ঘুমাইয়া, স...

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

কবিতা

মাসি গো মাসি

মাসি গো মাসি পাচ্ছে হাসি নিম গাছেতে হচ্ছে শিম্- হাতীর মাথায় ব্যাঙের ছাতা কাগের বাসায় বগের ডিম্ ।। (অন্যান্য ছড়াসমূহ)...

সুকুমার রায়

কবিতা

মনের মতন

কান্না হাসির পোঁটলা বেঁধে, বর্ষভরা পুঁজি, বৃদ্ধ বছর উধাও হ'ল ভূতের মুলুক খুঁজি। নূতন বছর এগিয়ে এসে হাত পাতে ঐ দ্বারে, বল্‌ দেখি মন মনের মতন কি দিবি তুই তারে? আর কি দিব?- মুখের হাসি, ভরসাভরা প্রাণ, সু...

সুকুমার রায়

Loading...