মূল বিষয়বস্তুতে যান

বিভাগঃ kobita

অসচরাচর

সময়ের সাগরের তীরে আমরা এসেছি ফিরে ফিরে নৌকায়, শাম্পানে— সেকথা এদেশে কে না জানে ? যেভাবে এসেছে ফুলে আলো সেভাবে বিন্যস্ত থাকা ভালো অসচরাচর আমাদেরই বুকে আছে ঘর সে তবু বাগানে প্রকৃতিকে মানুষের কথা বলে আ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

তুমি একা থেকো

দেবদারু বীথি শুধু তােমাকেই টানে গভীর শিকড়ে তার, তুমি স্তন্যপায়ী। ওখানে দুধের রং, রসবর্ণ পছন্দ তােমার একথা পােস্টারে লিখে এঁটে দিয়ে গেছো- কোনােদিন, মধ্যরাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে? সত্যি কথা বললাে, আমি চ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

অন্তরে যার গেরস্থালি

[কমল প্রিয়বরেষু] অন্তরে যার গেরস্থালি, সে কোন্ ছলে পালিয়ে থাকে? জঙ্গলে যায় , কমণ্ডুলু হাতে – আমায় বুঝিয়ে রাখে এসব পথে কষ্ট ভীষণ, লোভহীনতার মোরচা দাখিল করতে হবে, সরলমতি দুই দরজার একপাশে খিল। এইভাব...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

সুড়ঙ্গ কোথায় যাবে?

কথা ছিল ভালােবেসে-বেসে কিছু সুড়ঙ্গ বানাবাে। একমুখ লুকিয়ে থাকবে গাছের শিকড়ে, পাতাপুতা উইটিবি দিয়ে সন্তর্পণে ঢাকবাে বিচ্ছিরি মুখ, ডালপালা দেব। পদচ্ছাপ মুখে ফিরে আসবাে বাড়িঘরে যেন আলাভােলা শিশু, মুখ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

এলিজি ৪

ঊষারাণী দত্ত চিরস্মরণীয়াসু মাতৃসমা ছিলে তাই ভূগর্ভে ধরেছো আমাদের, ছিলে মাতা, তাই শেষ দেখা হয়েছিলো আমাদের মহাপ্রয়াণের পূর্বদিনে গড়েছিলে বসুন্ধরা, আমরা সেই কাজ অক্ষুণ্ণ রাখবো বলে অঙ্গীকার করি । ফসল ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

চতুর্দশপদী কবিতাবলী —১৮

আজো কি যাবে না ভােলা অসম্ভব মর্মরস্তবক- তালবীথিকার পার্শ্বে তােমার মুরতি আজো রবে? আজো কি যাবে না ভােলা হে প্রেয়সী, হে প্রতিবন্ধক— হে মম প্রাণের গূঢ় পরিণয়, অন্ধকারে, কবে দেখেছিলে ? সব দেখা প্রিয়সখি...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

চতুর্দশপদী কবিতাবলী - ৬৪

দিনের দুয়ার আজো খােলা দেখি। রাতের দুয়ার বন্ধ, বহুদিন বন্ধ। আমার স্থান কি খরতাপে? আমার কি স্থান আছে পৃথিবীর সমূহ সন্তাপে অশ্রুর সমান কিংবা বেগবান বিপুল জোয়ারে? দিনের দুয়ার আজো খােলা দেখি। রাতের দুয...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

একটানা একজীবনে

জলের উপর ভাসতে-ভাসতে অর্ধেক জীবন খরচ হয়ে গেলো বাকিটা ডুবেই থাকবো দেখি না কী হয় ? আগে ছিলুম জাহাজ আর নৌকো-ডিঙির সঙ্গী-সাথী আশেপাশে সাঁতারু সিন্ধুশকুন আর উড়ুক্কু মাছ ছিলো না কি আর? সক্কলে ছিলো —— তাদের ...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

মন্দিরে, ঐ নীল চূড়া

মন্দিরে ঐ নীল চূড়াটির অল্প নিচে তিনি থাকেন একমুঠি আতপের জন্যে ভিক্ষাপাত্র বাড়িয়ে রাখেন দিন-ভিখারি অদূরে দেবদারুর সারি ঘন ছায়ার গুহার দ্বারায় আকাশ ঢাকেন মন্দিরে, ঐ নীল চূড়াটির অল্প নিচে তিনি থাকেন |...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

মনে-বনে জানি না কিছুই

ভালোবাসা দিয়েছিল বিধিমতো ছাপানো কাপাস। এখন সে রং কেটে গেছে, কেটেছেঁটে গেছে রাঙা সুতো, অথিরবিজুরি মাকু পড়ে আছে শামুকের মতো খোলে। কম্বলের কোণা থেকে অদ্ভুত আগুন আজ বুক জুড়ে বসে আছে আরেক কম্বলে... অর্থ হয়...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

Loading...